অক্ষয় তৃতীয়ায় কমে গেল সোনার দাম? আজ কত টাকায় কিনতে পারবেন সোনা-রুপো?
মনে রাখবেন , অক্ষয় তৃতীয়ায় এমনিতেই শুভ ক্ষণ বলে সোনার চাহিদা বেড়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে সোনা কেনার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক হতে হবেই।

কলকাতা : আজও অক্ষয় তৃতীয়া। কলকাতায় আজ, সোমবার সোনা ও রুপোর দাম কিছুটা স্থিতিশীল। ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর। অক্ষয় তৃতীয়া ও বিয়ের মরসুমের ঠিক আগে ক্রেতাদের জন্য একটু স্বস্তির খবর। সোমবার সোনার দাম মোটামুটি স্থির রইল।
আজ কোন সোনার কত দাম
কলকাতায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ , সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের নিরিখে ফাইন গোল্ড (৯৯৫) প্রতি গ্রাম ১৫,১৪৫ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে প্রতি গ্রামে আজ খরচ হবে, ১৪,৩৯০ টাকা এবং কেউ সোনা বিক্রি করতে চাইলে দাম পাবেন গ্রামপিছু ১৩,৭৮১ টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট সোনার দাম আজ প্রতি গ্রাম ১১,৮১৫ টাকা। রুপোর ক্ষেত্রেও দাম স্থিতিশীল রয়েছে—১ কেজি সিলভার বারের দাম ২,৫২,৪২৭ টাকা। উল্লেখ্য, এই দামগুলির সঙ্গে ৩% জিএসটি যুক্ত নয়।
অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনাকাটার ভিড়
অক্ষয় তৃতীয়ার মতো শুভ লগ্নে সোনা কেনার প্রথা থাকায় রবিবার, ১৯ এপ্রিল দেশজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়ে যায়। কলকাতা, ইন্দোর, গোয়ালিয়র এবং জবলপুর-সহ একাধিক শহরের গয়নার দোকানে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। শনিবার বাজার বন্ধের সময় দাম কিছুটা বাড়লেও, রবিবার দাম স্থির থাকায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
সব মিলিয়ে, বিয়ের মরসুম ও উৎসবের আগে সোনা-রুপোর দামে এই স্থিতিশীলতা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং আগামী কয়েকদিনে চাহিদা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনা কেনার প্রথা বহুদিনের এবং এর পেছনে রয়েছে ধর্মীয় বিশ্বাস, শুভ সময়ের ধারণা। প্রথমত, “অক্ষয়” শব্দের অর্থই হল যা কখনও ক্ষয় হয় না। এই দিনে যা কেনা বা শুরু করা হয়, তা নাকি চিরস্থায়ী শুভ ফল বয়ে আনে, এমন বিশ্বাস প্রচলিত। তাই সোনা কেনা মানে শুধু অলংকার কেনা নয়, বরং ভবিষ্যতের সমৃদ্ধির কথা ভেবে বিনিয়োগ করা। দ্বিতীয়ত, হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনেই ভগবান বিষ্ণুর অবতার পরশুরামের জন্ম, আবার মহাভারতের কাহিনিতে পাণ্ডবরা এই দিনে “অক্ষয় পাত্র” লাভ করেছিলেন, যা কখনও শূন্য হতো না। এইসব কারণে দিনটিকে ধন-সম্পদ বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত শুভ বলে ধরা হয়।
একটা বিষয় মনে রাখবেন : ৩ শতাংশ জিএসটি বাদ দিয়ে ওপরের দাম ধরা হয়েছে। অর্থাৎ কিনতে গেলে বা বিক্রি করতে গেলে তিন শতাংশ জিএসটি মূল দামের সঙ্গে যুক্ত হবে।
তথ্যসূত্র-SSBC
১৯৯৩ সালে তৈরি হয় স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি। গোটা রাজ্যেই কার্যকর এই সংগঠন। স্বর্ণ শিল্প ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে কাজ করে এই সংগঠন। বর্তমানে এর সভাপতির নাম সমর কুমার দে।
সেরা শিরোনাম





















