Amul: বিশ্বের সবথেকে বড় দই উৎপাদন কেন্দ্র হবে কলকাতায়, ৬০০ কোটি বিনিয়োগ করবে আমূল; বাড়বে চাকরির সুযোগ ?
Amul Curd Plant: জৈন মেহতা বলেন, 'এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড ডেয়ারি প্ল্যান্ট হতে চলেছে যা পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বুকে গড়ে উঠবে, আর এটিই হতে চলেছে বিশ্বের সবথেকে বড় ইউনিট।'

কলকাতা: 'আমূল' ব্র্যান্ডের মূল সংস্থা গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেড সম্প্রতি ঘোষণা করেছে কলকাতায় (Amul) তারা বিশ্বের সবথেকে বড় দই উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করতে চলেছে। একটি ইন্টিগ্রেটেড ডেয়ারি প্ল্যান্ট (Dairy Plant) তৈরি হবে কলকাতায় এবং এর জন্য ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে আমূল। গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জৈন মেহতা এই উদ্যোগ নিয়ে জানিয়েছেন যে এর মাধ্যমে কলকাতায় গড়ে উঠবে সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র বা কার্ড প্ল্যান্ট।
দু'দিনব্যাপী চলা বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (Bengal Business Summit) শেষদিনে বৃহস্পতিবার এই বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়। পিটিআই সংবাদমাধ্যম অনুসারে, জৈন মেহতা বলেন, 'এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড ডেয়ারি প্ল্যান্ট হতে চলেছে যা পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বুকে গড়ে উঠবে, আর এটিই হতে চলেছে বিশ্বের সবথেকে বড় ইউনিট যেখানে প্রতিদিন ১ হাজার মেট্রিক টন দই উৎপাদিত হবে।' এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন ডেয়ারি প্ল্যান্টের সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে ৬০০ কোটি টাকা প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা হবে, যেখানে ১৫ লক্ষ লিটার দুধ উৎপাদনের ক্ষমতা থাকবে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেভাবে কাপ দই বা বাটিতে বন্দি দইয়ের চাহিদা দিনে দিনে বাড়ছে তার যোগান দিতে এই উদ্যোগ অনেকাংশে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও মূলত দুটি ধাপে এই ডেয়ারি প্ল্যান্ট তৈরি করবে কায়রা ডিসট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রোডিউসারস ইউনিয়ন লিমিটেড। কলকাতার অদূরে হুগলির সাঁকরাইলে এই প্ল্যাট গড়ে উঠবে। এই অঞ্চলে দইয়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলায় টক দই এবং মিষ্টি দই হিসেবেই এটি বহুল জনপ্রিয়, দুই ধরনের দইয়ের চাহিদাই তুঙ্গে। এই পণ্যের জন্যই উপযুক্ত জোগান দিতে চাহিদা মেটাতে এই প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলার দুধ বিক্রির দুনিয়ায় আমূল রয়েছে শীর্ষস্থানে। দিনে ১০ লক্ষ লিটার দুধ বিক্রি করে আমূল। বাংলার ১৪টি জেলা থেকে ১.২ লক্ষ মহিলা দুগ্ধ উৎপাদন সহায়কদের কাছ থেকে জোগান সংগ্রহ করে আমূল।
গত অর্থবর্ষের থেকে এই অর্থবর্ষে ৫৯,৪৪৫ কোটি টাকা টার্ন ওভার হয়েছে আমূলের যা আগের থেকে বেড়েছে ৮ শতাংশ। আর আগামী অর্থবর্ষে দুই অঙ্ক হারে বাড়বে এই টার্ন ওভার, এমনটাই আশা করছে সংস্থা। গত অর্থবর্ষে প্রায় ৫০০ লক্ষ লিটার দুধ উৎপাদন করেছে আমূল। আর দিনে ৩১০ লক্ষ লিটার দুধ উৎপাদনের ক্ষমতায় পৌঁছে গিয়েছে আমূল।
আরও পড়ুন: PAN Card: নতুন প্যান কার্ডের জন্য আবেদন করছেন ? এই ৫ ভুল থেকে সাবধান






















