Anil Ambani: ৩০০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মামলা, অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি; ধৃত ১ শিল্পপতি
Anil Ambani 3000 Crore Loan Fraud Case: অনিল আম্বানিকে তাঁর গ্রুপ সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত একটি আর্থিক তছরূপ মামলায় ৫ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে।

Anil Ambani Bank Loan Fraud Case: অনিল আম্বানির মালিকানাধীন সংস্থা রিলায়েন্স পাওয়ারকে ঘিরে বিপুল অঙ্কের ঋণ জালিয়াতির মামলা দায়ের হয়েছে আর ইতিমধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে এই মামলায় অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই মামলায় ইডি প্রথম গ্রেফতার করেছে এক শিল্পপতিকে। সংবাদসূত্র অনুসারে বিসওয়াল ট্রেডলিঙ্ক প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থসারথী বিসওয়ালকে ২০০২ সালের PMLA-র অধীনে আইনি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে যিনি এই ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ভুবনেশ্বর ও কলকাতায় বিটিপিএলের অফিস চত্বরে তল্লাশি চালানোর একদিন পরেই এই সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করে ইডি।
৫ অগাস্ট অনিল আম্বানিকে তলব ইডির
গত শুক্রবার সরকারি সূত্র জানিয়েছে যে তদন্তকারী সংস্থা ইডি রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানিকে তাঁর গ্রুপ সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত একটি আর্থিক তছরূপ মামলায় আগামী ৫ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ৬৬ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ীর বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করার জন্য ইডি একটি লুক আউট নোটিশও জারি করেছে। মামলাটি এখানে নথিভুক্ত হওয়ায় ৫ অগাস্ট দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে অনিল আম্বানিকে জবানবন্দি দিতে বলা হয়েছে।
সংবাদসংস্থা পিটিআই অনুসারে জানা গিয়েছে অনিল আম্বানি জবানবন্দি দেওয়ার পরে পিএমএলএ-র অধীনে তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করা হবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আম্বানির গ্রুপ সংস্থার কিছু আধিকারিককেও তলব করা হয়েছে। গত সপ্তাহেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সংস্থা ৫০টি সংস্থার ৩৫টি প্রাঙ্গণে আর তার ব্যবসায়িক গ্রুপের আধিকারিক সহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে তল্লাশি চালানোর পরে এই সমন জারি করা হয়। ২৪ জুলাই শুরু হওয়া তল্লাশি ৩ দিন ধরে চলে। রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার সহ অনিল আম্বানির একাধিক গ্রুপ সংস্থার ১৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক তছরূপ ও যৌথ ঋণের লেনদেনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সেবির একটি রিপোর্টের ভিত্তিতে ইডি জানতে পেরেছে আর ইনফ্রা সিএলই নামের এক সংস্থার মাধ্যমে আইসিডি হিসেবে রিলায়েন্স গ্রুপের সংস্থাগুলিতে ফান্ড ট্রান্সফার করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে শেয়ারহোল্ডার ও অডিট প্যানেলের অনুমোদন এড়াতে আর ইনফ্রা সিএলইকে তাঁর সংশ্লিষ্ট সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করেনি।






















