বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধের আবহে সোনার দামে পতন লক্ষ্য করা গেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এর অন্যতম কারণ।
Gold Price Prediction : রেকর্ড উচ্চতা থেকে ১৯,০০০ টাকা সস্তা সোনা ! মার্কিন-ইরান যুদ্ধের আবহে এটাই কি কেনার সেরা সময়?
Gold Price Down : অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারেও কমেছে দাম। বর্তমানে কমেক্স (COMEX) গোল্ড প্রতি আউন্স ৫,১৫৮.৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

- বিশ্বজুড়ে অস্থিরতায় সোনার দামে বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে।
- শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও তেলের দাম বৃদ্ধিতে সোনার দাম কমছে।
- মূল্যস্ফীতি ও ফেডারেল রিজার্ভের নীতিতে সোনায় বিনিয়োগ কমছে।
- ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদে সোনায় নিরাপদ বিনিয়োগ বজায় রাখবে।
Gold Price Down : বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধের আবহে ভারতীয় বাজারে সোনার দামে বড়সড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহের শেষে এমসিএক্স (MCX) মার্কেটে ১০ গ্রাম সোনার দাম ১,৬১,৬৭৫ টাকায় থিতু হয়েছে, যা এর সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতা (১,৮০,৭৭৯ টাকা) থেকে প্রায় ১৯,০০০ টাকা কম। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারেও কমেছে দাম। বর্তমানে কমেক্স (COMEX) গোল্ড প্রতি আউন্স ৫,১৫৮.৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
কেন কমছে সোনার দাম ?
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন-ইরান যুদ্ধ চললেও সোনার দাম আশানুরূপ বাড়ছে না তার প্রধান কারণ শক্তিশালী মার্কিন ডলার।
অপরিশোধিত তেলের প্রভাব: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে, যা সোনার গতিবিধিকে কিছুটা আটকে দিয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ও ফেডারেল রিজার্ভ: আমেরিকায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার কমানোর প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন সোনার বদলে ডলারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
ট্রাম্প ফ্যাক্টর ও কিউবা প্রসঙ্গ
এসএস ওয়েলথস্ট্রিট-এর প্রতিষ্ঠাতা সুগন্ধা সচদেব জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিশ্ব বাজারে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধের পর এখন আমেরিকার নজর কিউবার দিকে সরতে পারে—এমন ইঙ্গিত মেলায় দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকবে। কিউবার জ্বালানি সংকট ও আমেরিকার পদক্ষেপের ফলে সোনা ও রুপো আগামী দিনেও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
এনরিচ মানি-র সিইও পনমুডি আর-এর মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সোনার ‘বুলিশ’ বা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকেই সমর্থন করছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সাপোর্ট লেভেল: ঘরোয়া বাজারে ১,৩৭,০০০ টাকা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ৫,০০০-৫,১০০ ডলার হলো শক্তিশালী সাপোর্ট জোন।
লক্ষ্যমাত্রা: যদি ১০ গ্রাম সোনার দাম ১,৬৫,০০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়, তবে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও নতুন রেকর্ডের দিকে যেতে পারে।
কৌশল: বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিটা পতনই সোনা জমানোর (Accumulation) জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ।
( মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না। )
Frequently Asked Questions
ভারতীয় বাজারে সোনার দাম কেন কমেছে?
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের উপর কী প্রভাব পড়ছে?
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে, যা সোনার দামের গতিবিধিকে আটকে দিচ্ছে। বর্তমানে কমেক্স গোল্ড প্রতি আউন্স ৫,১৫৮.৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতি এবং ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত সোনার দামে কী প্রভাব ফেলতে পারে?
আমেরিকায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার কমানোর প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা সোনার বদলে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন।
ভবিষ্যতে সোনার দাম কি বাড়বে?
ট্রাম্প ফ্যাক্টর এবং কিউবা প্রসঙ্গ দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজারে অস্থিরতা বজায় রাখবে। কিউবার জ্বালানি সংকট ও আমেরিকার পদক্ষেপের ফলে সোনা ও রুপো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য সোনার বাজারে বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সোনার 'বুলিশ' বা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সমর্থন করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিটা পতনই সোনা জমানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ।
সেরা শিরোনাম






















