HDFC Bank: 'ব্যাঙ্কের ভিতরে এমন কিছু চলছে তাই ...' আচমকাই পদত্যাগ HDFC ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের! হু হু করে কমল শেয়ার
HDFC Bank Chairman Resign: তিনি জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের কিছু কাজকর্ম এবং প্রক্রিয়া তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও নীতির সঙ্গে মেলে না।

নয়া দিল্লি: হঠাৎই পদত্যাগ করলেন এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের পার্ট-টাইম চেয়ারম্যান এবং স্বাধীন ডিরেক্টর অতনু চক্রবর্তী। বুধবার একটি চিঠি দিয়ে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন তিনি। আর এরপর বৃহস্পতিবার মার্কেট খুলতেই হু হু করে কমল এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ার। প্রায় ৪ শতাংশ দাম কমল এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের। নিফটি ৫০ সূচকের অন্যতম প্রধান অংশীদার এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক। সেটির শেয়ার এভাবে কমে যাওয়ায় চিন্তা বেড়েছে মার্কেটে। বুধবারই নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে এইচডিএফসি আমেরিকান ডিপোজ়িটরি রিসিপ্টসের (HDFC ADR) শেয়ার দর কমেছে ৭ শতাংশের বেশি।
তিনি জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের কিছু কাজকর্ম এবং প্রক্রিয়া তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও নীতির সঙ্গে মেলে না। তাই তিনি অবিলম্বে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্কের পদ ছাড়ার প্রসঙ্গে অমিত চক্রবর্তী তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, ‘গত দুই বছরে ব্যাঙ্কের কিছু ঘটনা এবং কাজের ধরন আমি লক্ষ্য করেছি। যা আমার ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সেই কারণেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, আমি নিশ্চিত করছি যে, উপরে উল্লিখিত কারণগুলো ছাড়া আমার পদত্যাগের অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কারণ নেই। সূত্রের খবর, কিছু দিন ধরেই ব্যাঙ্কের বোর্ডের মধ্যে কাজকর্ম নিয়ে মতভেদ চলছিল।
২০২১ সালের মে মাসে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন অতনু চক্রবর্তী। সে বিষয়ে তিনি লিখেছেন, "বোর্ডে আমার কার্যকালে এইচডিএফসি লিমিটেডের সঙ্গে ব্যাঙ্কের একীভূত হওয়ার মতো যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছে। এই কৌশলগত উদ্যোগটি এইচডিএফসি ব্যাঙ্ককে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্কে পরিণত করেছে। যদিও, এই একীভূতকরণের সুফল এখনও পুরোপুরি পাওয়া যায়নি।'
এ প্রসঙ্গে এনডিটিভি প্রফিটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অতনু চক্রবর্তী বলেন, "এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক এমন একটি প্রতিষ্ঠান যাকে আমি ৫ বছর ধরে লালন করেছি। আমি ব্যাঙ্কের কোনও অন্যায়ের দিকে আঙুল তুলছি না। আমার আদর্শ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মেলেনি, আর তাই আলাদা হয়ে যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল।"
পদত্যাগের পর, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক একটি এক্সচেঞ্জ ফাইলিং-এ বলেছে, "আমরা নিশ্চিত করছি যে, উক্ত চিঠিতে উল্লিখিত কারণগুলো ছাড়া অতনু চক্রবর্তীর পদত্যাগের অন্য কোনো কারণ নেই।" আরও বলা হয়েছে, "অতনু চক্রবর্তী অন্য কোনও কোম্পানিতে পরিচালক পদে নেই। পরিচালক পর্ষদ তাঁর কার্যকালে ব্যাঙ্কের প্রতি চক্রবর্তীর অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ প্রচেষ্টায় সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছে।"
























