Bangladesh Imports: বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, ১০ হাজার কোটিরও বেশি আয় হতে পারে ভারতীয় বস্ত্রশিল্পের দুনিয়ায়
India's Curb on Bangladeshi Imports: ইন্ডাস্ট্রি লিডাররা এই সময়ে দেশীয় বস্ত্রশিল্পের উৎপাদনকারীদের এগিয়ে আসার সুযোগ দেখেছেন এবং দেশীয় চাহিদা পূরণ করার ব্যাপারে সহমত প্রকাশ করেছেন।

India Bangladesh Trade: সম্প্রতি ভারত সরকার স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশীয় বস্ত্রশিল্পের অনেক উন্নতি হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই শিল্পের (Bangladesh Import) সঙ্গে সংযুক্ত ব্যক্তিরা মনে করছেন, ভারতের এই নীতির কারণে দেশীয় বস্ত্রশিল্পের প্রস্তুতকারক সম্প্রদায় তাদের ব্যবসায় অতিরিক্ত ১০ হাজার কোটির মুনাফা পেতে পারেন। তবে কিছু ব্র্যান্ডেড পোশাক পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খল এই নীতির কারণে সাময়িক ব্যাহত হতে পারে।
শনিবার বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর ডিজিএফটি স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে পোশাক সহ অন্যান্য বেশ কিছু পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। তবে ডিজিএফটি দুটি প্রধান সমুদ্রবন্দর কলকাতা ও নভসেবা দিয়ে এই ধরনের পণ্যের আমদানিতে ছাড় দিয়েছে বা অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে শুল্কমুক্ত বস্ত্র বা পোশাক আমদানি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে দেশীয় বস্ত্র উৎপাদনকারীদের এগিয়ে আসতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
দেশীয় বস্ত্র উৎপাদকদের জন্য সুযোগ
সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে ইন্ডাস্ট্রি লিডাররা এই সময়ে দেশীয় বস্ত্রশিল্পের উৎপাদনকারীদের এগিয়ে আসার সুযোগ দেখেছেন এবং দেশীয় চাহিদা পূরণ করার ব্যাপারে সহমত প্রকাশ করেছেন। এখনও পর্যন্ত কম দামে বাংলাদেশের আমদানিকৃত পণ্যের কারণে এই চাহিদার যোগান দেওয়ায় পিছিয়ে ছিল দেশিয় উৎপাদকরা। তা এবার মিটে যাবে।
ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের ন্যাশনাল টেক্সটাইল কমিটির চেয়ারম্যান সঞ্জয় কে জৈন জানিয়েছেন, 'বাংলাদেশ থেকে এতদিন পর্যন্ত ৬ হাজার কোটি টাকার পোশাক পণ্য আমদানি করা হত। তবে এখনকার পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে আমদানির পরিমাণ কমে আসতে পারে এবং ১০০০ থেকে ২০০০ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য এই জায়গা দখল করে নিতে পারে।' তিনি আরও জানান যে ভারতের এই সাম্প্রতিক নীতির ফলে শুল্ক ছাড়া ঘুরপথে চিনা তন্তু বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়ে ভারতে প্রবেশের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এতদিন পর্যন্ত ২০ শতাংশ শুল্ক ছাড়াই বাংলাদেশের মাধ্যমে ঘুরপথে ভারতে আসছিল চিনা কাপড় ও কাপড়ের তন্তু, তা এবার বন্ধ হবে।
তবে অনেক ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন যে এই বাংলাদেশি পোশাক পণ্য আমদানি বন্ধ হওয়ার ফলে দেশীয় চাহিদা অনুপাতে যোগানে খানিক টান পড়বে। দেশীয় অ্যাপারেল ব্র্যান্ডগুলির ২০ শতাংশ পণ্যই ছিল আমদানিকৃত, ফলে দেশীয়ভাবে প্রস্তুত টি-শার্ট, ডেনিম ইত্যাদির দাম সাময়িকভাবে ২-৩ শতাংশ বাড়তে পারে।






















