India Pakistan War : ভারতের সঙ্গে পাঞ্জা ! ফাঁকা হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার, দ্রুত দেউলিয়া হওয়ার পথে পাকিস্তান
Pakistan Crisis : তলানিতে থাকা অর্থনীতির (Pakistan Economy) পর এবার দ্রুত ফাঁকা হচ্ছে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। দ্রুত দেউলিয়া হওয়ার পথে পাকিস্তান।

Pakistan Crisis: পহেলগাঁয়ে জঙ্গি হামলার (Pahelgam Attack) পরই ভারতের নিশানায় পাকিস্তান (India Pakistan War)। অপারেশন সিঁদুর-এর পর থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়ে চলেছে ইসলামাবাদ। যার ফল ভুগতে হচ্ছে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশকে। তলানিতে থাকা অর্থনীতির (Pakistan Economy) পর এবার দ্রুত ফাঁকা হচ্ছে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। দ্রুত দেউলিয়া হওয়ার পথে পাকিস্তান।
ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপে পঙ্গু পাকিস্তান
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারত যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, তা পাকিস্তানের ইতিমধ্যেই অর্থনীতিকে আরও পঙ্গু করে দিয়েছে। কেবল তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত প্রভাবিত হচ্ছে না, বরং এই উত্তেজনার কারণে তারা যা আয় করছিল তাও এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে। ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপে হতাশ হয়ে পাকিস্তান ভারতের জন্য তার আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। যা করে তারা নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে।
পাকিস্তানের এখন কী অবস্থা
নয়াদিল্লির জন্য আকাশসীমা বন্ধ করার পিছনে পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল, ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষতি করা। কিন্তু এর ফলে তারা যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছিল তাও হারিয়েছে। ২০২২ সালে পাকিস্তান দেউলিয়া হওয়ার দরজায় চলে গিয়েছিল, কিন্তু সেই বছরের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের ত্রাণ প্যাকেজ পাওয়ার পর তার অর্থনীতি আবার সঠিক পথে ফিরে আসে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি পাকিস্তানের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে।
কী বলছে আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা
ওয়েলথ মিলস সিকিউরিটিজ প্রাইভেট লিমিটেডের ইক্যুইটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ক্রান্তি বাথিনিও এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি অবশ্যই তাদের অর্থনীতির উপর গভীর চাপ সৃষ্টি করবে। মুডি'সও একই রকম ইঙ্গিত দিয়েছে ও বলেছে, পরিস্থিতি যদি কোনওভাবে আরও খারাপ হয়, তাহলে তা পাকিস্তানের অর্থনীতির উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলবে।
আকাশসীমা বন্ধ, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে
যেহেতু পাকিস্তান ভারতীয় বিমানের জন্য তার আকাশসীমা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন থেকে এটি কেবল ভারতীয় বিমান সংস্থা নয়, বরং অনেক আন্তর্জাতিক বিমানকেও প্রভাবিত করেছে। দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে অনেক আন্তর্জাতিক বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলেছে। এর সহজ অর্থ হল, তারা বিদেশি বিমান থেকে ফি পাচ্ছে না। আগে তারা বৈদেশিক মুদ্রার আকারে আকাশসীমা থেকে প্রচুর অর্থ আয় করত।
কত টাকা ক্ষতি হচ্ছে পাকিস্তানের
২০১৯ সালের শুরুতে পুলওয়ামা সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান একই রকম পদক্ষেপ নিয়েছিল। ভারতীয় বিমানের জন্য তার আকাশসীমা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর পরে, তারা প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। সেই সময় প্রতিদিন প্রায় ৪০০টি বিমান যাতায়াত করত। হিসাব অনুযায়ী, বিমান ভাড়া বাবদ ২,৩২,০০০ ডলার এবং দৈনিক মোট ৭,৬০,০০০ টাকা ক্ষতি হত।






















