Electricity Bill: বিদ্যুতের বিল এসেছে ২১০ কোটি টাকা ! মাথায় হাত এই ব্যবসায়ীর; কী ঘটেছে ?
Himachal Electricity Department: হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরে এক ব্যবসায়ীকে সেই রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে ২১০ কোটি টাকার বিদ্যুতের বিল (Electricity Bill) পাঠানো হয়েছে।

Viral News: বিদ্যুতের বিল দেখে চক্ষু চড়কগাছ। ২১০ কোটি টাকারও বেশি লেখা সেই বিলে। মাথায় হাত পড়েছে এই ব্যবসায়ীর। হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরে এক ব্যবসায়ীকে সেই রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে ২১০ কোটি টাকার বিদ্যুতের বিল (Electricity Bill) পাঠানো হয়েছে। হামিরপুর জেলার ভোরঞ্জ মহকুমারর অন্তর্গত বেদাভীন জট্টান গ্রামের এই ব্যবসায়ীর সঙ্গেই ঘটেছে এই অবিশ্বাস্য ঘটনা। তাঁর নিজের একটি সামান্য কংক্রিট ইঁটভাটা (Viral News) রয়েছে আর তার কাছেই কিনা এল ২১০ কোটি ৪২ লক্ষ ৮ হাজার ৪০৫ টাকার বিদ্যুতের বিল ! কীভাবে সম্ভব ?
ললিতা ধীমান ও তাঁর ছেলে আশিস ধীমান দুজনে মিলে কংক্রিট থেকে সিমেন্টের ইঁট তৈরির ব্যবসা করেন। তাদের হাতেই বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে এই বিপুল পরিমাণ অঙ্কের বিল দিয়ে গিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী। আর এই বিলে কোথাও বড় গোলমাল রয়েছে তা বুঝতে পেরেই বিদ্যুৎ বোর্ড অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। আর তাদের সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের পরে বিলের অঙ্ক এসে দাঁড়ায় ৪০৪৭ টাকায়।
ভোরঞ্জ বিদ্যুৎ বোর্ডের এসডিও অনুরাগ চণ্ডেল এই ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, একটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলের অঙ্ক এত বিপুল হারে বেড়ে গিয়েছিল। ব্যবসায়ীর তরফ থেকে অভিযোগ দায়ের হওয়া মাত্র বিল সংশোধন করা হয়েছে। আর সংশোধিত বিলে দেখা যাচ্ছে সেই ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্ট মেয়াদের মধ্যে ৮৩৬ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যয় করেছেন।
সমাজমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনা ভাইরাল হয়ে পড়ে। কেউ কেউ এই খবরে অনুমান করেন যে এই ঘটনার মূল কারণ বিদ্যুৎ বিভাগের ভর্তুকি সংক্রান্ত। যদিও সকলেই বুঝতে পেরেছেন যে এই বিপুল অঙ্কের বিদ্যুতের বিল আসার মূল কারণ ছিল যান্ত্রিক ত্রুটি যা পরে সংশোধিত হয়ে যায়। এর আগে ২০২৪ সালের জুন মাসেও গুরুগ্রামে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল। দু'মাসের বিদ্যুতের বিল এসেছিল ৪৫ হাজার টাকা! দেখে মাথায় হাত পড়ে যায় গুরুগ্রামের বাসিন্দা যশবীর সিংহের। বিল তিনি চুকিয়ে দিয়েছিলেন, তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, 'এবার ভাবছি, মোমবাতির আলোয় ফিরে যাব।' এই পোস্টই তুমুল আলোড়ন ফেলেছিল সোশ্য়াল মিডিয়ায়।






















