Zomato Delivery Fee: অনলাইনে খাবার অর্ডারে বাড়ছে দাম! ডেলিভারি ফি বাড়িয়ে দিল এই সংস্থা!
জোম্যাটো প্রতি অর্ডারে ২.৪০ টাকা প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছে। পেট্রোলের দামও বেড়েছে, যা গ্রাহকদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে।

Zomato Hike Platform Fees: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব এবার ভারতেও দেখা যাচ্ছে। একদিকে, যেখানে তেল কোম্পানিগুলি দেশে বিক্রি হওয়া প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম প্রায় ২ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে, সেখানে অনলাইন ফুড ডেলিভারিও আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। জোম্যাটো প্রতি অর্ডারে প্ল্যাটফর্ম ফি-তে ২.৪০ টাকা বৃদ্ধি করেছে, যার ফলে গ্রাহকদের উপর অতিরিক্ত বোঝা চাপবে।
এদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ, দাম বাড়ল উচ্চমানের পেট্রোলের। আজ থেকেই দাম বেড়ে গেল উচ্চমানের পেট্রোলের। প্রতি লিটারে ২ টাকা ৯ পয়সা করে দাম বাড়ল প্রিমিয়াম পেট্রোলের। দেশে লিটারপ্রতি প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম হল ১১৪ টাকার কাছাকাছি।
যদিও সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম এখনও অপরিবর্তিত আছে। এর মধ্যেই গ্যাসের জোগান নিয়েও দেখা দিয়েছে সংশয়। কাতারের LNG সেক্টরে ইরানের মিসাইল হানায় উৎপাদন মার খেল ১৭%। কাতার থেকে সবচেয়ে বেশি গ্যাস আমদানি করে ভারত, ফলে জোগানে টান পড়ার আশঙ্কা।
এদিকে, পেট্রোলের এলপিজি, প্রিমিয়াম পেট্রোলের পর এবার শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম বৃদ্ধি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেলের লিটার প্রতি ২১ টাকা ৯২ পয়সা বৃদ্ধি। ৮৭ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে লিটার প্রতি দাম বেড়ে ১০৯ টাকা ৫৯ পয়সা। শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম বৃদ্ধি ইন্ডিয়ান অয়েলের। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেলের দাম বাড়লেও এখনও সাধারণের জন্য ব্যবহৃত পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়েনি।
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছিল অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ জোমাটো, সুইগি। ১০ টাকা থেকে এবার জোমাটোর প্ল্যাটফর্ম ফি বেড়ে হয়েছিল ১২ টাকা। সুইগিও তাদের প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়ে করেছিল ১৪ টাকা। ২০২৩ সালে প্রথম জোমাটোর অ্যাপে অর্ডার প্রতি ২ টাকা করে প্ল্যাটফর্ম ফি নেওয়া হত। এই ফি ২০২৩ সালেই বেড়ে হয়েছিল ৩ টাকা। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই ফি বেড়ে হয় ৪ টাকা। গত বছরেই ৩ টাকা থেকে ৭ টাকা এবং তারপর অক্টোবর মাসে বেড়ে প্ল্যাটফর্ম ফি দাঁড়ায় ১০ টাকায়।
সুইগি এবং জোমাটোর সঙ্গে যুক্ত ডেলিভারি কর্মীদের দাবি, তাদের দৈনিক অর্ডার ৩০ থেকে কমে পাঁচে নেমে এসেছে। ফলে তাঁদের জীবিকা ধুঁকির মুখে পড়েছে। ইরানে যুদ্ধের জেরে এই সংকট বলে জানা গিয়েছে। গিগ এবং প্ল্যাটফর্ম সার্ভিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (GIPSWU) এক বিবৃতিতে বলেছে, "বর্তমান সংকট ক্রমশ বিপর্যয়ে পরিণত হচ্ছে। আমাদের সদস্যরা অনাহারে আছেন।"
পারস্য উপসাগর থেকে তেল সরবরাহে ব্যাঘাতের পর রান্নার গ্যাসের ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে, বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ এবং ক্লাউড কিচেন তাদের মেনু বন্ধ করে দিয়েছে অথবা তাদের খাবারের তালিকা কমিয়ে দিয়েছে। এর প্রভাব কিছু গ্রামীণ এলাকায়ও অনুভূত হয়েছে, যেখানে ঘাটতি তীব্র, গ্যাস সংস্থাগুলি হয় সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে অথবা বুকিংয়ের মধ্যে বাধ্যতামূলক ব্যবধান আরোপ করেছে।
সেরা শিরোনাম






















