Patanjali Dant Kanti: দাঁতের যত্নে আয়ুর্বেদের প্রয়োগ ঘটাচ্ছে পতঞ্জলির দন্তকান্তি, কীভাবে নিশ্চিত হয় গুণমান ?
Patanjali News: এই মাজন তৈরির প্রক্রিয়া অনেকগুলি ধাপের মধ্য দিয়ে হয়। অনেকগুলি ল্যাব টেস্ট করা হয় যাতে এর টেক্সচার, স্বাদ, পিএইচ, সান্দ্রতা, ফোমিং ক্ষমতা এবং সংরক্ষিত থাকার ক্ষমতা যথাযথ হয়।

Patanjali Ayurveda: ২০০০ সালের শুরু থেকেই ভারতের বাজারে ভেষজ টুথপেস্টের চাহিদা বাড়তে শুরু করে। মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক ও ভেষজ পণ্যকে বেছে নিতে শুরু করে এই সময় থেকে। সেই সময় বাজারে বিকল্প অনেক কম ছিল। আর এই শূন্যস্থান নজরে এনেছিল পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ এবং সেইমত বাজারে আনা হয়েছিল পতঞ্জলির দন্তকান্তি। পতঞ্জলি দাবি করে, এই দন্তকান্তি মাজন আয়ুর্বেদিক জ্ঞান এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সাযুজ্যপূর্ণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছে। আর এর মাধ্যমেই বাজারে ভেষজ পণ্য খুঁজছেন উপভোক্তাদের সামনে পণ্য হাজির করতে পেরেছে পতঞ্জলি।
সংস্থা ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, 'দন্তকান্তির উপাদানগুলি সকলের আগে নির্বাচন করে এই মাজন তৈরি করা শুরু হয়েছিল। পতঞ্জলির পরীক্ষক দল চরক সংহিতা, সুশ্রুত সংহিতা এবং ভাগবত, ভাবপ্রকাশ নিঘণ্টু ইত্যাদি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছে। এই শাস্ত্রগুলিতে উল্লেখ রয়েছে যে নিম, লবঙ্গ ও পুদিনার মত উপাদান আমাদের মুখের ভিতরকার স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়। এই উপাদানগুলি দন্তকান্তি মাজনের প্রাথমিক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
চেকারবোর্ড মাইক্রোডাইলুশন প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে এই ধরনের উপাদানগুলির সমন্বয় স্ট্রেপ্টোকক্কাস এবং অ্যাক্টিনোমাইসেসের মত পৃথক পৃথক ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে কাজে দেয়। দাঁতের সমস্যার নিরাময়ে দারুণ উপকার দেয়।
কীভাবে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ পরীক্ষা করে
সংস্থা জানিয়েছে যে এই মাজন তৈরির প্রক্রিয়া অনেকগুলি ধাপের মধ্য দিয়ে হয়। অনেকগুলি ল্যাব টেস্ট করা হয় যাতে এর টেক্সচার, স্বাদ, পিএইচ, সান্দ্রতা, ফোমিং ক্ষমতা এবং সংরক্ষিত থাকার ক্ষমতা যথাযথ হয়। দেখা হয় যাতে কোনওভাবেই এই মিশ্রণের মধ্যে কোনও ভারী ধাতু মিশ্রিত না থাকে। পাইলট স্কেল আপ টেস্ট করা হয় বাণিজ্যিক উৎপাদনের সময় এর গুণমান বজায় রাখার জন্য। স্টেবিলিটি পরীক্ষা করার জন্য ৬ মাসের অ্যাক্সিলারেটেড সময় নেওয়া হয়, ২৪ মাসের লং টার্ম টেস্টিং চলে, আর এর মাধ্যমে এই পণ্যের সেলফ লাইফ পরীক্ষা করা হয়।
বাজারে দন্তকান্তির সাফল্য
এই সংস্থা জানিয়েছে যে পতঞ্জলি গ্রাহকদের ফিডব্যাক মতামতকে গুরুত্ব দেয়। যোগ ক্যাম্পাসে ১ হাজার স্বেচ্ছ্বাসেবীকে এই মাজনের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়। তারপর তাদের মতামত অনুসারে এই ফর্মুলেশন আবার রিফাইন করা হয়। এর সাফল্য লুকিয়ে আছে আয়ুর্বেদিক জ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটানোর মধ্যে। বাজারের চাহিদাকে পূরণ করার জন্য নিষ্ঠা প্রমাণ করে এই কাজ, আর একইসঙ্গে ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও রাখে পতঞ্জলি।
উপভোক্তা সুরক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে এই পতঞ্জলির দন্তকান্তি সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে জানানো হয়েছে, বাজারে এমন অনেক ব্র্যান্ড আছে যারা নিজেদের পণ্যকে প্রাকৃতিক বলে দাবি করছে, রাসায়নিক-মুক্ত এবং ভেষজ মাজন হিসেবে দাবি করছে, তাদের কারও আদপেই সম্পূর্ণ ভেষজ বলে দাবি করার অবস্থানে থাকার কথা নয়।






















