LPG Crisis : মজুত করে রাখা হচ্ছিল ৬০০-র বেশি LPG সিলিন্ডার, পুলিশ ঢুকতেই ...
LPG Black Market : একে একে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের নিয়মে এসেছে পরিবর্তন। যে কারণে গ্যাস সিলিন্ডারে (Gas Cylinder) শুরু হয়েছে কালোবাজারি। এরকমই একটা বড় চক্রের পর্দা ফাঁস করল পুলিশ।

LPG Black Market : জল্পনা চলছিল গত সপ্তাহ থেকেই। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের (Iran Israel War) প্রভাব পড়েছিল ভারতের মার্কেটে (Indian Economy)। যার জেরে বিশ্ব বাজারে আগুন লেগেছিল অপরিশোধিত তেলের দামে (Crude Oil Price)। যে কারণে রান্নার গ্যাস দাম (LPG Price) বাড়াতে বাধ্য হয়েছিল সরকার। তারপর একে একে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের নিয়মে এসেছে পরিবর্তন। যে কারণে গ্যাস সিলিন্ডারে (Gas Cylinder) শুরু হয়েছে কালোবাজারি। এরকমই একটা বড় চক্রের পর্দা ফাঁস করল পুলিশ।
কালোবাজারি রুখতে পুলিশের বড় সাফল্য
রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার বড়সড় সাফল্য পেল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সোমবার রাজধানীর একটি গুদামে হানা দিয়ে ৬১০টি অবৈধ এলপিজি সিলিন্ডার উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাজারে।
ঠিক কী ঘটেছে রাজধানীতে ?
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গুদামে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের অ্যান্টি-এক্সটর্শন অ্যান্ড কিডন্যাপ্পিং সেল (AEKC) সেখানে ঝটিকা অভিযান চালায়। তল্লাশিতে দেখা যায়, সরকারি নিয়ম ও নিরাপত্তা বিধি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেখানে ইন্ডিয়ান (Indane), ভারত গ্যাস (Bharat Gas) এবং এইচপি (HP Gas) কোম্পানির কয়েকশো সিলিন্ডার স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
কী উদ্ধার হয়েছে
এই অভিযানে মোট উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারের সংখ্যা ৬১০টি। এর মধ্যে ১৯৭টি ভর্তি বাণিজ্যিক সিলিন্ডার, ৩৯২টি খালি বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ও ২১টি ছোট ঘরোয়া সিলিন্ডার ছিল।
কী ধরা পড়েছে তদন্তে
তদন্তে জানা গেছে, ওই সংস্থাটি কেবল 'ইন্ডিয়ান' কোম্পানির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার বিতরণের জন্য অনুমোদিত ছিল। কিন্তু সেখানে অন্যান্য কোম্পানির সিলিন্ডার মজুত করা হয়েছিল, যা লাইসেন্সের শর্তাবলী ও এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিরোধী।
কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের স্পেশাল কমিশনার দেবেশ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় দেশে কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গুদামের মালিক বর্তমানে পলাতক, তার সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং সিলিন্ডারগুলো কোথায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Gas Cylinder News Update : ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের (US Israel Iran War) আবহে এবার রান্নার গ্যাসের নিয়মে বড় বদল করল সরকার। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক (Petroleum Ministry) ঘোষণা করেছে, বাড়িতে পাইপলাইনের PNG (Piped Natural Gas) মাধ্যমে গ্যাস নিলে ছাড়তে হবে LPG সিলিন্ডার। ঠিক কী নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার ?
কী বলা হয়েছে এই সরকারি নির্দেশিকায় ?
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি ইতিমধ্যে পাইপলাইনের গ্যাস (PNG) ব্যবহার করেন, তবে তিনি আর বাড়িতে LPG (সিলিন্ডার গ্যাস) কানেকশন রাখতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, সরকারি তেল সংস্থা বা তাদের ডিস্ট্রিবিউটরদের থেকে কোনও নতুন সিলিন্ডার রিফিল করতে পারবেন না ওই ব্যক্তি। এটি আইনিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।























