Byju's: ৫৪ কোটি ডলারের জালিয়াতি, ঋণদাতাদের প্রতারণা ! বাইজু'স, রিজু রবীন্দ্রনকে দোষী সাব্যস্ত করল মার্কিন আদালত
Byjus Bankruptcy Case: গত মঙ্গলবার আদালতে একটি শুনানির সময় মার্কিন বিচারপতি জন টি ডোরসে ইঙ্গিত দেন যে তিনি একটি শো-কজ অর্ডার পাশ করাবেন যাতে দুই অভিযুক্ত আদালতের নির্ধারিত সমস্ত জরিমানা জমা করে দেন

Byju's Bankruptcy Case: এডটেক সংস্থা বাইজুস বহু সময় ধরেই সমস্যায় জর্জরিত। সংস্থার চিফ কনটেন্ট অফিসার, প্রতিষ্ঠাতা সহযোগী (Byju's) একজনকে এবার মার্কিন আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল ঋণদাতাদের প্রতারণা এবং ব্যবসা থেকে সফটওয়্যার, নগদ টাকা ও অন্যান্য সম্পদ (Byju's Bankruptcy Case) গোপনে স্থানান্তরিত করার আর এবারে মার্কিন আদালতে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে এডটেক সংস্থা বাইজুসের ম্যানেজার বিনয় রবীন্দ্র, সংস্থার সহযোগী রাজেন্দ্রন ভেল্লাপলথ যিনি আবার দুবাইয়ের টেক স্টার্ট আপ সংস্থা ভইজ্জিট টেকনোলজির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি ডলারের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যাপারে আলোচনা করছেন এক মার্কিন বিচারপতি।
গত মঙ্গলবার আদালতে একটি শুনানির সময় মার্কিন ব্যাঙ্করাপ্টসি বিচারপতি জন টি ডোরসে ইঙ্গিত দেন যে তিনি একটি শো-কজ অর্ডার পাশ করাবেন যাতে দুই অভিযুক্ত আদালতের নির্ধারিত সমস্ত জরিমানা জমা করে দেন। ঋণদাতারা ইতিমধ্যেই ১.২ বিলিয়ন ডলার ফেরত চাইছেন মার্কিন এডটেক সংস্থাগুলির কাছ থেকে যেগুলি কয়েক বছর আগে ৮২০ মিলিয়ন ডলারের (Byju's Bankruptcy Case) বিনিময়ে বাইজুস সংস্থা অধিগ্রহণ করেছিল। বাইজুস সংস্থার উদ্যোক্তা বাইজু রবীন্দ্রন, এবং তার পরিবার বর্তমানে ভারতে দেউলিয়া হয়ে আছেন মার্কিনি ঋণদাতাদের ঋণ না মেটাতে পারার দায়ে।
গত মাসে নেব্রাস্কার ব্যবসায়ী উইলিয়াম হেইলার সাক্ষ্য দিয়েছেন যে তিনি নিজে বাইজুসকে বহু সহায়তা করেছেন যাতে মার্কিন সফটওয়্যার সংস্থাগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা যায়। এই জন্য বাইজু রবীন্দ্রনকে বহু সময় দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে এই সংস্থাগুলি আদালতের নিযুক্ত ট্রাস্টি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। পরে উইলিয়াম হেইলার বাইজুসের অনৈতিক ব্যবসায়িক নীতির কারণে আলাদা হয়ে যান এবং এই কথা তিনি প্রকাশ্যেই বলেছিলেন।
আদালতে ওঠা অভিযোগে স্পষ্ট যে বাইজুস সংস্থার বিরাট অঙ্কের ঋণের মধ্যে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলারের কোনও হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না এবং গোপনে দুই অভিযুক্ত এই টাকা অন্যত্র সরিয়েছেন ঋণদাতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে। তবে সম্প্রতি এই চাপানউতোরের মাঝে লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট করে আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন বাইজু রবীন্দ্রন এবং সেখানে তিনি স্পষ্ট লেখেন, 'একসময় আমি খুবই ব্যস্ত ছিলাম এই সংস্থাকে দাঁড় করাতে আর তারপর আমি সংস্থাকে বাঁচানোর জন্য আরও ব্যস্ত হয়ে পড়লাম'।
আরও পড়ুন: UPI Lite: ইউপিআই লাইট ব্যবহার করেন ? বড় সুখবর দিল NPCI; কী সুবিধে হবে এবার ?






















