Nadia: ট্রলি না পাওয়ায় পৌঁছতে দেরী! হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় যুবকের মৃত্য়ুর অভিযোগ
পরিবারের অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেও, ভিতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য় কোনও ট্রলি পাওয়া যাচ্ছিল না।

নদিয়া: ট্রলি না পাওয়ায় চিকিৎসকের কাছে পৌঁছতে দেরী! হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এক যুবকের মৃত্য়ুর অভিযোগ উঠল নদিয়ার চাপড়ায়। মৃতের নাম অখিল সরকার। বয়স ২৮। বাড়ি নদিয়ার চাপড়ার কল্য়াণদহে। পেশায় টোটোচালক। পরিবার সূত্রে খবর, অসুস্থ বোধ করায়, পরশু তাঁকে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায়, গতকাল তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেও, ভিতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য় কোনও ট্রলি পাওয়া যাচ্ছিল না।
বিষয়টি জানতে গেলে, নিরাপত্তারক্ষী রোগীর পরিজনদের মারধর করে বলে অভিযোগ। শেষমেষ অনেক কষ্টে ট্রলি জোগাড় হলেও, দুপুর সাড়ে ১২টার আগে কোনও ডাক্তার রোগীকে দেখেননি বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, কার্যত বিনা চিকিৎসায় মৃত্য়ু হয় যুবকের। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী। তাঁর পাল্টা দাবি, রোগীর পরিজনরাই তাঁর ওপর এসে চড়াও হয়। দুর্ব্য়বহার করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অ্যাম্বুল্যান্স কিংবা শকট না পেয়ে মায়ের মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে হাঁটছেন ছেলে!কিছুদিন আগে জলপাইগুড়ির এই ছবি গোটা রাজ্য়ের মাথা লজ্জায় হেঁট করে দিয়েছে। এবার ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ উঠল নদিয়ায়। ৩ ঘণ্টা পর চিকিৎসক যখন হাসপাতালের বাইরে দেখতে এলেন, দেরি হয়ে গেছে অনেক। মৃত্যু হয়েছে বছর ২৮-এর তরতাজা যুবকের।
ট্রলি না পাওয়ায় চিকিৎসকের কাছে পৌঁছতে দেরী! পরিবারের অভিযোগ, ট্রলি না পাওয়ায় ঢোকানো যায়নি হাসপাতালের ভিতরে। কার্যত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা নাকি হাসপাতাল চত্বরে একাংশের দালালরাজ? এক যুবকের মৃত্যু ফের জন্ম দিল একাধিক প্রশ্নের।
মৃত্যু হয়েছে, চাপড়ার কল্য়াণদহের বাসিন্দা পেশায় টোটোচালক অখিল সরকার। পরিবার সূত্রে খবর,অসুস্থ বোধ করায়, শনিবার অখিলকে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায়, রবিবার তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেও, ভিতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য় কোনও ট্রলি পাওয়া যাচ্ছিল না।
বিষয়টি জানতে গেলে, নিরাপত্তারক্ষী রোগীর পরিজনদের মারধর করে বলে অভিযোগ। যদিও, মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই নিরাপত্তারক্ষী। হাসপাতাল চত্বরে দালালচক্রের অভিযোগে সরব হয়েছে, অন্য রোগীর পরিজনেরাও।
নিয়মমাফিক ময়নাতদন্ত করতে চাইলে তাতে রাজি হয়নি পরিবার। যা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে, জানিয়েছেন হাসপাতালের সুপার।
শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত সরকার বলছেন, রোগীকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এবিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, ৪ সদস্যের কমিটি গঠন। কমিটি যে রিপোর্ট দেবে, নিয়ম মানেনি পরিবার। ঝামেলা হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলকে নিশানা করেছে বিজেপি ও সিপিএম। রবিবারের এই ঘটনার পর সোমবার হাসপাতালের সামনে দেখা যায় ট্রলির কোনও অভাব নেই। কালকে যদি সময়ে একটা ট্রলি মিলত, হয়ত শেষ চেষ্টাটুকু করা যেত। এভাবে অকালে চলে যেত না একটা প্রাণ। আক্ষেপ মৃতের পরিজনদের।






















