Anandapur Fire : আনন্দপুর থেকে পাওয়া দেহাংশ, হাড়, দাঁত, মাংস থেকে উঠে এল কোন তথ্য? কী বলছে রিপোর্ট?
নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের জায়গায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। জারি থাকবে আজ পর্যন্ত। পাশাপাশি ভস্মীভূত জিনিসপত্রের নীচে কি আর কারও দেহাংশ থেকে গেছে? তারও খোঁজ চলছে।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা : অভিশপ্ত সেই রাত থেকে আর খোঁজ নেই। কেউ আত্মীয়র শেষ ফোন পেয়েছিলেন মাঝ রাতে। তারপর সব নীরব। বেজে গিয়েছে রিং...বাজতে বাজতে হয়েছে স্তব্ধ। তারপর থেকে আর মেলেনি খোঁজ। খোঁজ নেই। দুশ্চিন্তায় আকুল পরিবারগুলো। গোটা দেহ নয়...মিলছে টুকরো, ছাই ! সেগুলোই ভরসা এখন দেহ শনাক্ত করার জন্য।
নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কাল পর্যন্ত ২১টি দেহাংশ কাঁটাপুকুর মর্গে পৌঁছেছে বলে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর। তারমধ্যে ২টি দেহাংশ মানুষের না অন্য প্রাণীর নিশ্চিতভাবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা বুঝতে পারছেন না বলে সূত্রের খবর। নিশ্চিত হতে বিশেষ পরীক্ষার জন্য রাজ্যের ফরেন্সিক ও সায়েন্স ল্যাবরেটারিতে নমুনা পাঠানো হয়েছে। বাকি দেহাংশগুলো পুরুষ না মহিলার এখনও বোঝা যায়নি। কারও আনুমানিক বয়সও বোঝা যায়নি বলে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর।
প্রতিটি দেহাংশ থেকে বড়-ছোট হাড়, দাঁত, টিস্যু, মাংসপেশী পাঠানো হয়েছে DNA প্রোফাইলিংয়ের জন্য। এছাড়াও দেহাংশের রক্তের গ্রুপ, কোনও রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকলে, সেটি কী ধরণের রাসায়নিক, কোনও তেল জাতীয় দাহ্য পদার্থে জন্য পুড়ে গিয়েছে কিনা, সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতে ফরেন্সিক ল্যাবরেটারিতে নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৃহস্পতিবার নতুন করে যে ৪টি দেহাংশের খোঁজ মিলেছিল, সেগুলোর শুক্রবার ময়নাতদন্ত করা হবে।
অন্যদিকে নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের জায়গায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। জারি থাকবে আজ পর্যন্ত। পাশাপাশি ভস্মীভূত জিনিসপত্রের নীচে কি আর কারও দেহাংশ থেকে গেছে? তারও খোঁজ চলছে।






















