Wow Momo Anandapur Fire : আনন্দপুরের ঘটনায় এবার ধৃত 'ওয়াও মোমো'-র ২ ব্যক্তি, বড় অভিযোগ
Wow Momo Personnel Arrest : নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ওয়াও মোমো গোডাউনের ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজার গ্রেফতার।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও ২জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। 'ওয়াও মোমো'র ( Wow Momo ) গোডাউনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী ও ডেপুটি ম্যানেজার মনোরঞ্জন শীটকে গ্রেফতার করল নরেন্দ্রপুর থানা। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথভাবে না মানার অভিযোগে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ডেকরেটর্স সংস্থা, নিউ পুষ্পাঞ্জলি নার্সারি প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিনের মাথায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে এখনও মিলছে দেহাংশ। এখনও নিখোঁজ মানুষ গুলোর পরিবারগুলো উদ্বেগ নিয়ে বসে। প্রিয় জনের চরম পরিণতির কথা মনে-মনে জেনেও, নিশ্চিত তথ্যের অপেক্ষায় বসে তারা। উদ্বেগ তীব্র করছে গোডাউনে ছড়িয়ে থাকা ছাই আর হাড়গোড়ের ছবি। ভয়াবহ .... গা শিউরে ওঠা সেই দৃশ্য কার্যত অসহনীয়। এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় মোমো-ব্র্যান্ড 'ওয়াও মোমো',-র কর্মীরাও। এই ঘটনার পর 'ওয়াও মোমো'-র গোডাউনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সাধারণ মানুষও 'ওয়াও মোমো'-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। দিকে দিকে শুরু হয়েছে 'বয়কট ওয়াও মোমো'-ক্যাম্পেন। সংস্থার তরফে বিবৃতি দিয়ে ৩ জনেরই মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়েছে, পাশের গুদামে বিনা অনুমতিতে রান্না করা হচ্ছিল। তা থেকেই আগুন লাগে। তা থেকেই আগুন ছড়ায় 'ওয়াও মোমো'-র গুদামে। কিন্তু 'ওয়াও মোমো'-র তরফেও যথেষ্ট গা-ফিলতি লক্ষ করে শুক্রবার পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। ওই গোডাউনের দায়িত্বে থাকা দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, ঘটনার ৩ দিনের মাথায় গ্রেফতার করা হয় ওই গোডাউনের থাকা ডেকরেটর্স সংস্থার মালিক, গঙ্গাধর দাসকে। তাঁর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য় ধারায় মামলা রুজু করা হয়। তিনি নিউ পুষ্পাঞ্জলি নার্সারি প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক ডেকরেটর্স সংস্থার মালিক। বুধবার, নরেন্দ্রপুরের এলাচি মোড় থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গঙ্গাধর দাসকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডের অকুস্থল রক্ষার্থে ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেন কলকাতার মেয়র। বারুইপুর মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অন্তত ২৭ জন নিখোঁজের পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের পর এই তাঁদের পরিবারের তরফে নিখোঁজের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের মধ্যে ১৬টির ময়নাতদন্ত হয়েছে কাটাপুকুর মর্গে।























