Supreme Court On Malda: ভেঙে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা, মোথাবাড়িতে নৈরাজ্য নিয়ে বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
West Bengal Assembly Election 2026: মালদায় এই নৈরাজ্য নিয়ে এবার কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের। "ভেঙে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা", কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের।

কলকাতা : মোথাবাড়িতে জুডিশিয়াল অফিসারদের উপর হামলা। আর সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ঘটনায় NIA তদন্তের কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন মোথাবাড়ির ISF প্রার্থী-সহ ১৮ জন। তাদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
মালদায় এই নৈরাজ্য নিয়ে এবার কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের। "ভেঙে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা", কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের। শুরুতেই অ্যাকশন নেওয়া হয়নি কেন? ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি, মালদার জেলা শাসক ও এসপিকে ইতিমধ্যেই শো কজ করা হয়েছে। নোটিশ পাঠিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আগামী ৬ এপ্রিল ভার্চুয়াল শুনানিতে হাজির থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁদের।
বিচারকদের উপর আক্রমণের ঘটনায় ভর্ৎসনা দেশের প্রধান বিচারপতির। মনোবল ভাঙতে পরিকল্পিত হামলা হয়েছে, কারা ঘটিয়েছে সব জানি, এজলাসে বলেন প্রধান বিচারপতি। কঠোর পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে উদ্দেশ্য় করে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ বলে, "সব থেকে দুর্ভাগ্যজনক হল, আপনার রাজ্যে সব কিছু নিয়ে রাজনীতি হয়। আদালতের নির্দেশ মানার ক্ষেত্রেও। আপনি কি ভাবেন যে, আমরা জানি না যে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে?"
ঘটনায় প্রথমে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ঘোষণা করেন যে CBI-কে তদন্তভার দেওয়া হবে। তারপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, CBI নয়, বরং তদন্তবর দেওয়া হবে NIA-কে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা দেওয়া নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। তার জন্য যা করার দরকার সেটা নির্বাচন কমিশনকে করতে হবে।
উল্লেখ্য, নাম ডিলিটের প্রতিবাদে ১ এপ্রিল বিকাল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় জুডিশিয়াল অফিসারদের। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের চেষ্টায় বিক্ষোভ সরিয়ে উদ্ধার করা হয় তাঁদের। যদিও বিচারকদের বের করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও বাঁশ ফেলে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা হয়। যদিও, গত ২৩ মার্চ মালদার জেলা প্রশাসনের কাছে গণ্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জুডিসিয়াল অফিসাররা। আর সেই কারণেই নিষ্পত্তির কাজ ব্লক অফিস থেকে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে (DM Office) সরানোর আবেদন করেছিলেন তাঁরাই। এমনকি জানা গিয়েছে, আগেই এই বিষয়ে জানানো হয়েছিল জেলা প্রশাসনকে। অভিযোগ, তারপরও মালদা জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।




















