Shanta Paul : এর সাহায্যে জাল নথি বানিয়েই কলকাতায় জাঁকিয়ে বসেছিলেন বাংলাদেশের শান্তা, অবশেষে পুলিশের জালে 'কালপ্রিট'
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশী হয়ে ভারতে এসে বিয়ে করে থেকেও গিয়েছিলেন শান্তা। এসবের ব্যবস্থা করে দিল কে? কোন নথির ভিত্তিতে ভারতে 'স্টার্ট আপ' শুরু করতে চেয়েছিলেন?

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : কলকাতায় ধৃত বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পালের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল চলতি বছরই। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতেই থেকে গিয়েছিলেন তিনি। জোগাড় করে ফেলেছিলেন, জোড়া আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্য়ান কার্ড। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশী হয়ে ভারতে এসে বিয়ে করে থেকেও গিয়েছিলেন তিনি। এসবের ব্যবস্থা করে দিল কে? কোন নথির ভিত্তিতে ভারতে 'স্টার্ট আপ' শুরু করতে চেয়েছিলেন? অভিযোগ, ভুয়ো নথি দেখিয়ে হোটেল ব্যবসার জন্য একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে লোনের জন্য আবেদনও করেছিলেন। সেই সব তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এল কেঁচো খুঁড়তে কেউটে।
কী কী ভাবে জালিয়াতি করেছেন শান্তা?
বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পালকে জাল নথি তৈরিতে সহযোগিতা করেছিলেন নৈহাটির এক ব্যক্তি। সোমবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সৌমিক দত্ত বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পালকে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে সাহায্য করেছিলেন। ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে ওই বাংলাদেশি মহিলা বানিয়ে নিয়েছিলেন জোড়া আধার কার্ড, এমনকী প্যান কার্ডও। বিয়েও করে ফেলেন এক ভারতীয়কে। পাসপোর্ট, ভিসার মেয়াদ ফুরোলেও ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে এদেশেই বহাল তবিয়তে থাকছিলেন শান্তা। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশি পরিচয় লুকিয়ে ঠাকুরপুকুর থানায় একটি প্রতারণার অভিযোগও দায়ের করেছিলেন ওই মহিলা। বাংলাদেশের মডেল-অভিনেত্রী অভিযোগপত্রে নিজেকে গলফ গ্রিন থানা এলাকার রাজেন্দ্রপ্রসাদ কলোনির বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। শান্তা পালকে গ্রেফতারির পর সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কীভাবে পুলিশের জালে শান্তা?
গত ২ জুলাই, SBI-এর একটি নথির ছবি দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় শান্ত পাল লেখেন, সব হয়ে গেছে। আমার হোটেল অথবা মোটেল খুব তাড়াতাড়িই খুলবে। 'আশান ট্রাভেলস কলকাতা অ্যান্ড বাংলাদেশ' বলে একটি ফেসবুক পেজও খুলেছিলেন এই বাংলাদেশি মডেল। এই পেজ থেকেই নিজের ব্যবসার প্রচার চালাতেন ধৃত বাংলাদেশের মডেল। সেখানে একাধিক ট্রাভেল Vlog পোস্ট করেন শান্তা পাল। অবৈধভাবে ভারতে থাকা এই মডেল পৌঁছে গেছিলেন সিকিমের ভারত-চিন সীমান্ত নাথুলা পাসে। সম্প্রতি পার্কস্ট্রিট থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে নেমে শান্তা পালের খোঁজ মেলে। তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা। তারপরই একটার পর একটা চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।






















