Joy Goswami: SIR-শুনানিতে ডাকা হল কবি জয় গোস্বামীকে, 'বেঁচে থাকলে রবীন্দ্রনাথকেও লাইনে দাঁড় করাত,' তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্রাত্যর
Bengal SIR Case Hearing:পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন ঘিরে রাজনীতির পারদ চরমে।

কলকাতা: SIR-শুনানিতে এবার ডাক পেলেন কবি জয় গোস্বামী। ২ জানুয়ারি কবি জয় গোস্বামীকে ডাকা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। শুনানিতে ডাকা হয়েছে জয় গোস্বামীর মেয়েকেও। কবির মেয়ে জানিয়েছেন, জ. অসুস্থ। ওইদিন হয়ত যেতে পারবেন না। বাবাকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও সরব হয়েছেন জয়ের মেয়ে। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। (Joy Goswami)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন ঘিরে রাজনীতির পারদ চরমে। প্রবীণ, নবতিপর মানুষদেরও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে লাগাতার। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার জয়কে শুনানির জন্য ডাকা হল। সেই নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠেছে। (Bengal SIR Case Hearing)
জয়ের পরিবার জানিয়েছেন, স্ত্রীর কাছে BLO মারফত ফোন এসেছে। শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়েছে ২ জানুয়ারি। জয় যদিও অসুস্থ। কয়েক দিন আগেই অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। ফলে তিনি যেতে পারবেন না বলে জানিয়েছে পরিবার। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ জয়ের পরিবার।
কলকাতার শিশুমঙ্গলে জন্ম জয়ের। শৈশব কেটেছে রানাঘাটে। কলকাতার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। তার পরও কেন প্রমাণ দিতে হবে, প্রশ্ন তুলছে পরিবার। ২০২৪ সালেও ভোট দিয়েছেন জয় ও তাঁর কন্যা। তাহলে কেন ডাকা হচ্ছে প্রশ্ন? জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কোনও ভাবে নাম নেই জয়ের। সেই সময় প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায়, নাম নেই মেয়েরও। নথিপত্র নিয়ে তাঁদের যেতে বলা হয়েছে বলে খবর।
এবিপি আনন্দে মুখ খোলেন জয়ের মেয়ে। তিনি বলেন, "আমি, মা এবং জয়...২০০২ সালে জয়ের কোনও নথি নেই বলে, আমারও ১৮ বছর হয়নি তখন। গতকাল মায়ের কাছে ফোন আসে যে আমাকে ও জয়কে যেতে হবে শুনানির জন্য। কয়েক দিন আগে জয়ের অস্ত্রোপচার হয়েছে। বাড়ি থেকে বেরনো সম্পূর্ণ নিষেধ ওঁর। ফোনও ধরছে না। বেশি কথা বলা বারণ ওঁর। ২০০২ সালের পরও জয় ভোট দিয়েছেন, শেষ বারও ভোট দিয়েছেন। এত বছর পরও ডাকা হচ্ছে, প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে নাগরিক কি না, প্রমাণপত্র দেখাতে বলা হচ্ছে...।"
জয়কে শুনানিতে ডাকা নিয়ে ব্রাত্য বলেন, "জয়কে যদি SIR-শুনানিতে ডাকে...আমার মনে হয়, বেঁচে থাকলে রবীন্দ্রনাথকেও ওরা SIR-এর লাইনে দাঁড় করাত। এটাই হল বাংলা এবং বাঙালি সম্পর্কে ওদের মনোভাব। জয়দা এদেশি, জয়দা কবি, রানাঘাট থেকে কলকাতায় চলে এসেছেন প্রায় ৪০ বছর হয়ে গিয়েছে। বছরের পর বছর ভোট দিয়েছেন। জয়দার কবিতা, সাহিত্য নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু এটা যদি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন করতে পারে, তাহলে বুঝুন, বাংলা এবং বাঙালি সংস্কৃতির যে কাউকে ডেকে ওরা অনুপ্রবেশকারী বলতে পারে।"
Before You Go
Taratala News: "এক মুঠ ভাত, দুটো শুকনো রুটির জন্য জীবনটা...", SSKM-এর বাইরে স্বজনহারাদের হাহাকার






















