BJP News : 'যারা ঘাম রক্ত দিয়ে ঘাসফুল ফুটিয়েছিলেন',এবার তৃণমূলের একাংশকেও বিজেপিতে ডাক শমীকের
তৃণমূলে যাঁরা নিজেদের কোণঠাসা মনে করেন, কৌশলে তাদেরও পদ্মে ডাকলেন শমীক।

কলকাতা : বিধানসভায় সিপিএম ও কংগ্রেস দুই দলই বর্তমানে শূন্য। আসন্ন নির্বাচনেও একা লড়বে কংগ্রেস। এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, একদিকে যেমন শাসকদলের একাংশকে আহ্বানকেই আহ্বান জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, তেমনি দরজা খোলা রাখলেন কংগ্রেস-সিপিএমের জন্যও। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শুক্রবার বললেন, যারা তৃণমূল কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করেছেন ...যারা ঘাম রক্ত দিয়ে দেওয়ালে ঘাসফুল ফুটিয়ে রেখেছিলেন, যারা দীর্ঘ ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতার অমৃত রস পান করেননি, তারাও এই পরিবর্তনে আসুন। অর্থাৎ তৃণমূলে যাঁরা নিজেদের কোণঠাসা মনে করেন, কৌশলে তাদেরও পদ্মে ডাকলেন শমীক।
শুধু তৃণমূল নয়, কংগ্রেস সমর্থকদেরও পদ্ম চিহ্নে ভোট দিতে ডাকলেন শমীক ভট্টাচার্য। বললেন, কংগ্রেস সামান্য হলেও অবশিষ্ট থাকলে, প্রত্যেক জাতীয়তাবাদী কর্মীর কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি, আগে পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচান। আমাদের আবেদন সমস্ত বামপন্থী কর্মীদের কাছে। যদিও বিজেপির আহ্বানে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিপিএম, কংগ্রেসও।
সম্প্রতি বাংলাদেশে BNP ক্ষমতায় এলেও, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বরাবর বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশে জামাতরা জয়ী হওয়ায় চিন্তা বেড়েছে ভারতের। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে ও রাজ্যে একের পর এক জঙ্গিদের গ্রেফতারি হওয়া নিয়েও তৃণমূলকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শমীক ভট্টাচার্য শুক্রবার বললেন, 'আজ সীমান্ত রক্ষায় জামাত, বিহার, ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে, জঙ্গিদের পাওয়া যাচ্ছে এবং সর্বোপরি, যে এক্সোডাস চলেছে, এই সার্বিক আর্থ সামাজিক ধ্বংসের হাত থেকে আমরা সব মানুষকে আহ্বান করছি।'
এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হয়েই ২৬-এর আগে বিরোধীদের বার্তা দেন শমীক ভট্টাচার্য। বলেন,'যাঁর যা পতাকা আছে, কিছু দিনের জন্য আলমারিতে তুলে রাখুন। সবাই পথে নামুন, তৃণমূলকে বিসর্জন দিন' বিরোধীদের বার্তা দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'ভোট কাটার রাস্তায় যাবেন না, নো ভোট টু বিজেপি-র আড়ালে ষড়যন্ত্র করবেন না। সমস্ত বামপন্থী ও কংগ্রেসিদের বলছি, পিছনের দরজা দিয়ে তৃণমূলকে ফেরাবেন না। ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলকে হারান' বঙ্গ বিজেপির দায়িত্ব পেয়েই আহ্বান জানান শমীক। সেই আহ্বান তিনি ধরে রাখলেন ভোটের আগেও।
ভোট মানেই, মানুষের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে চায় সব দল। কিন্তু শেষমেশ মানুষ কার পাশে থাকবে, সেটা বোঝা যাবে ভোটের ফলাফলেই।























