Botanical Garden Reopening : খুলছে বোটানিক্যাল গার্ডেন, কী কী নিয়ম রয়েছে উদ্যানে প্রবেশের ক্ষেত্রে?
COVID-19 Updates: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনও যায়নি। তার মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই আছড়ে পড়তে পারে মারণ রোগ কোভিডের তৃতীয় ঢেউ।

সুনীত হালদার, হাওড়া : করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই ধাপে ধাপে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র। সংক্রমণ যাতে রোখা যায়, তার জন্য লোকাল ট্রেন, স্কুল-কলেজ, পর্যটন কেন্দ্রগুলির মতো বন্ধ ছিল সিনেমা হল, উদ্যান। যদিও সংক্রমণের হার কিছুটা কম হওয়ায় মাঝে কিছুদিনের জন্য খুললেও দ্বিতীয় ঢেউ আসতেই ফের বন্ধ হয়ে যায় সব পর্যটন কেন্দ্র। বাদ যায়নি শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনও। প্রায় চার মাস পর খুলতে চলেছে বোটানিক্যাল গার্ডেন। আবার বিশেষজ্ঞদের মতে খুব শীঘ্রই আছড়ে পড়তে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। ফলে সংক্রমণের একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনও যায়নি। তার মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই আছড়ে পড়তে পারে মারণ রোগ কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কাও কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। জানা যাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই বেশ কিছু নিয়মকানুন নিয়ে খুলতে চলেছে বোটানিক্যাল গার্ডেন। সূত্রের খবর, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সাধারণ মানুষের জন্য প্রবেশাধিকার মিলবে শতাব্দী প্রাচীন এই উদ্যানে।
চলতি বছরের ১০ মে থেকেই বন্ধ রয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন। আগামি ১ সেপ্টেম্বর প্রবেশাধিকার পাওয়া গেলেও উদ্যানে প্রবেশের জন্য জারি হচ্ছে বেশ কিছু নিয়ম-কানুন। সূত্রের খবর, আপাতত যে নিয়মে খোলা থাকত উদ্যান, সেই নিয়মেই খোলা থাকবে। পাশাপাশি পর্যটক কিংবা প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রবেশের জন্য এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট কিংবা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট বাধ্যতামূলক করেনি উদ্যান কর্তৃপক্ষ। তবে, মাস্ক পরা থাকলে এবং সুরক্ষিত দূরত্ব মেনে চললেই পর্যটক এবং প্রাতঃভ্রমণকারীরা প্রবেশ করতে পারবেন।
বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, সাধারণ বিধিনিষেধ এবং স্বাস্থ্যবিধি মানলেই উদ্যানে প্রবেশ করা যাবে। উদ্যান খোলা এবং বন্ধের সময়ও আগের মতোই থাকছে। এতদিন পর ফের উদ্যান খোলার কথা জানতে পেরে উচ্ছ্বসিত পর্যটক এবং প্রাতঃভ্রমণকারীরা।
Before You Go
Suvendu Adhikari: '৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে, যাঁরা কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করবে',বললেন মুখ্যমন্ত্রী






















