Brigade Gita Path : রবিবার ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, 'ভোটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই', বলছেন কার্তিক মহারাজ
2024 Lok Sabha Election: এর আগে ২০২৪-এ লোকসভা ভোটের আগেও লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছিল।

কলকাতা : আগামী রবিবার ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজক সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। অনুষ্ঠানের জন্য তিনটি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে যোগ দেবেন দেড়শো সাধুসন্ত। এছাড়া অনুষ্ঠানে আসা লোকজনের ঢোকা-বেরনোর জন্য ১৮টি গেট তৈরি করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪-এ লোকসভা ভোটের আগেও লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছিল। আর ২০২৬-এ বিধানসভা ভোটের আবহে এই রবিবার অর্থাৎ ৭ ডিসেম্বর ব্রিগেড ময়দানেই হতে চলেছে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ। এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে, মুখ্য অতিথি হিসাবে থাকবেন জ্ঞানানন্দ মহারাজ-জি। তার সঙ্গে বাগেশ্বর ধামের পীঠ অধিশ্বর ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, পদ্মভূষণ সাধ্বী ঋতম্ভরাজি এবং যোগগুরু রামদেবেরও আসার কথা রয়েছে। রবিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গীতা পাঠ চলবে বলে দাবি করছেন উদ্যোক্তারা। এর আগে এখানে ভূমিপুজো করা হয়েছে। সেই ভূমিপুজোর পরেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করা হয়। আজ শুক্রবার মঞ্চ নির্মাণের কাজ প্রায় ৬০ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে।
সনাতন সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি কার্তিক মহারাজ বলেন, "ভোটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। ভোট তো সারাবছর চলছে। সারা ভারতে চলছে। শ্রীমদ্ভাগবদ গীতার যে সৃষ্টি, মোক্ষদা একাদশীতে অগ্রহায়ণ মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশীতে, ফলে এই তিথিটা তো আসবেই। ভোটের তারিখ সারাবছর যাবৎ হবে। এর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। মানুষ গুলিয়ে দিচ্ছেন। রাজ্য সরকার সাহায্য যেমন করেনি, তেমনি বিরোধিতাও করেনি। এটা খুব ভাল লক্ষণ। আর আপনার সবাই জানেন, মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ। বিভিন্ন মসজিদেও আমরা জানিয়েছি। এটা আমাদের ধর্মের কাজ। কোনও রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন নয়। কোনও সাধু-সন্ন্যাসীদের শক্তির প্রদর্শন নয়। আমরা বিনিতভাবে আবেদন জানিয়েছি।"
সনাতন সংস্কৃতি সংসদের সম্পাদক নিরগুনানন্দ মহারাজ বলেন, "২০২৫ সালে ৫ লক্ষ কণ্ঠে ঐতিহাসিকভাবে গীতা পাঠ হবে। সাধু-সন্ত আসবেন, তাঁরা মঞ্চের পিছন দিকে যে গেট নির্মাণ করা হয়েছে,সেখানে তাঁরা আসবেন এবং পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে তিন মাস ধরে তাঁদের নিমন্ত্রণ ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাঁদের কার্ড দেওয়া হয়েছে। কোন মঞ্চে কোন সাধু-সন্ত বসবেন সেটা আমরা নির্ধারিত করেছি। সেই অনুযায়ী তাঁদের বসার ব্যবস্থা করেছি। সেই রকম ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই আমরা এবার গীত জয়ন্তীর ব্যবস্থা করেছি। সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গীতা পাঠ চলবে। তারপর বিশিষ্ট বক্তারা প্রবচন করবেন।"






















