Bus Strike: পুলিশি জুলুমের তীব্র প্রতিবাদ, তিন দিনের বাস ধর্মঘট রাজ্যে, কবে থেকে ?
Transport Strike: পুলিশি জুলুমের প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার শুক্রবার ও শনিবার তিন দিন লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাস মালিকদের সংগঠন

প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: ধর্মঘটেই অনড় বাস মালিকদের সংগঠন। বাস মালিকদের সংগঠনগুলোর সঙ্গে এবং পুলিশকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে গলল না বরফ। বৈঠক থেকে বেরিয়ে বললেন বাস মালিকদের সংগঠনের কর্তারা।
পুলিশি জুলুমের প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার শুক্রবার ও শনিবার তিন দিন লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাস মালিকদের সংগঠন। পরশু থেকে তিন দিনের বাস ধর্মঘটের ডাক রাজ্যে। পুলিশের সঙ্গে বাস মালিক সংগঠনের ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা ব্যর্থ, এমনটাই দাবি। পুলিশি জুলুমের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার তিন দিন লাগাতার ধর্মঘটের ডাক বাস মালিকদের সংগঠনের।
পশ্চিমবঙ্গে তিন দিনের বেসরকারি বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পরিবহণ বাঁচাও কমিটি। এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছে পাঁচটি বাসমালিক সংগঠন জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট (পশ্চিমবঙ্গ), বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেট, ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, মিনিবাস অপারেটর্স কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং ইন্টার অ্যান্ড ইন্ট্রা রিজিয়ন বাস অ্যাসোসিয়েশন।
পুলিশি হয়রানি এবং ইচ্ছামতো টোল ট্যাক্স আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এর সঙ্গে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং অন্যান্য সমস্যার সমাধান চেয়ে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বাসমালিকেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, ২০ মে-র মধ্যে যদি তাঁদের দাবিগুলির বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ না করা হয়, তবে ২২ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা বেসরকারি বাস পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এই ধর্মঘটের ফলে নিত্যযাত্রীরা বড়সড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
বাস মালিকদের অভিযোগ ছিল, একে তো ভাড়া বাড়ানো হয়নি, এর ওপর পুলিশ যখন-তখন জরিমানা করছে। পুলিশি জুলুমের অভিযোগে তাই বৃহস্পতি, শুক্র-শনিবার বাস ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর বাস মালিকদের দাবি, পুলিশের হাবেভাবে মনে হয়েছে, এমন অভিযোগ তারা প্রথমবার শুনছে। সমাধান সূত্র না মেলায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরছেন না বাস মালিকরা। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।






















