CM Suvendu Adhikari: 'বাচ্চা, বোন, দিদি মহিলাদের উপর যে আঙুল তুলবে, তার আঙুলটাকে ভাঙতে হবে", নারী নিরাপত্তায় কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
CM Suvendu On Women Security: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার সফরে গিয়ে ফের শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল নারী নিরাপত্তার কথা।

শিবাশিস মৌলিক, শুভেন্দু ভট্টাচার্য ও রাজা চট্টোপাধ্য়ায়, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার সফরে গিয়ে ফের শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল নারী নিরাপত্তার কথা। বললেন, 'বাচ্চা, বোন, দিদি মহিলাদের উপর যে আঙুল তুলবে, তার আঙুলটাকে ভাঙতে হবে।' এনিয়ে শুরু হয়েছে তরজা। এদিন জলদাপাড়া অভয়ারণ্যেও যান মুখ্যমন্ত্রী। ২টি হস্তিশাবকের নামকরণ করেন তিনি।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে নারী সুরক্ষার জোর দেওয়ার কথা বারবার শোনা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। নতুন করে খুলেছে আরজি কর ফাইলসও। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, 'অভয়া' ভুলিনি, 'অভয়া' ভুলিনি, 'অভয়া' ভুলিনি, 'অভয়া' ভুলিনি। আমার লিমিটেশনের মধ্যে আমি কমিটেড, আমি কমিটেড, আমি কমিটেড।'এই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার সফরে গিয়ে ফের শুভেনদু অধিকারীর মুখে শোনা গেল নারী নিরাপত্তার কথা। ৩ জুন কোচবিহারে ১২ বছরের এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। যৌন নির্যাতন করে খুনের অভিযোগে পরদিনই প্রতিবেশী এক গৃহ শিক্ষক গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই ঘটনায় এদিন কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,'আমি পরিষ্কার কথায় বলে গেছি যে পকসোর মতো কেসে ছোটো বাচ্চা, বোন, দিদি মহিলাদের উপর যে আঙুল তুলবে, তার আঙুলটাকে ভাঙতে হবে। এর জন্য পুলিশকে যা করার দরকার করতে হবে। পরিষ্কার কথা বলা আছে।' এনিয়ে মুখ খুলেছে বিরোধীরা। এদিন কোচবিহারে রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি সাংসদ-বিধায়কদের পাশাপাশি সেখানে ছিলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বাসুনিয়া।যিনি বর্তমানে NCPI-তে রয়েছেন। ছিলেন জগদীশ বাসুনিয়ার স্ত্রী ও ঋতব্রত শিবির অর্থাৎ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সঙ্গীতা রায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,'কোচবিহারকে সাজাব। উন্নয়ন করব। সবরকম আলোচনা হয়েছে। NH সম্প্রসারণ। রেলে আর কী করা যেতে পারে। BSF-এর জমি হস্তান্তর। দেশকে সুরক্ষিত করতে গেলে বর্ডার সুরক্ষিত করতে হবে। ২৮ তারিখে এয়ারপোর্টের এগ্রিমেন্ট হচ্ছে।'মুখ্যমন্ত্রী এদিন যান মূর্তির নদীর উপর ব্রিজের উদ্বোধনে। এরপর হেলিকপ্টারে সুভাষিনী চা বাগানের নীল পাড়া মাঠে বন দফতরের তত্ত্বাবধানে বিশ্ব গণ্ডার দিবসের অনুষ্ঠানে সামিল হন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২ তারিখ আবার আসব, রয়্য়াল বেঙ্গল ছাড়তে। ১ বছরের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন বানাবো। চা বাগানগুলো সব খুলব। চাপ শ্রমিকদের কুড়ি পারসেন্ট বোনাস দেবে। আগের সরকার আপনাদের ভাড়াটিয়া করতে চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, আপনাদের জমির মালিক করব। জেলা শাসককে বলেছি, টোটোপাড়ায় ১২০০ বাড়ি বানাব।' সেখানে বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত প্রদশর্নীর উদ্বোধন করেন তিনি। বন্যপ্রাণ রক্ষার বার্তা দিতে মন্ত্রোচারণ করে হাতির দাঁত, গণ্ডারের চামড়া, হরিণের শিং পোড়ান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর মুখ্যমন্ত্রী যান জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে। ২টি হস্তিশাবকের নামকরণ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,একটার নাম রাখলাম চৈতন্য। আর একটার নাম রাখলাম সুলক্ষণা। ওদের যে বাবা-মায়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে করতে হয়।' কোচবিহারে মদন মোহন জিউ-এর মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী।
Before You Go
Mahalaya Event in Kolkata | "প্রতি জেলার জন্য তৈরি হয়েছে স্টেজ", বললেন Agnimitra Paul |





















