Cooch Behar News: চাপের মুখে 'কাটমানি'র প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ফেরত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর
TMC Panchayet Member Cut Money Returned: আবাসের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, চাপের মুখে 'কাটমানি'র প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ফেরত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর

কোচবিহার: চাপের মুখে 'কাটমানি'র প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ফেরত। অভিযোগ, আবাসের নামে টাকা নিয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় বর্মন। গতকাল টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন শীতলকুচির বড় কৈমারী গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যর। গতকাল ৮৮ জনকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে আরও ৪ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ
গতমাসে কোচবিহারের মাথাভাঙায় কাটমানি ফেরত দেন তৃণমূল নেতারা। শীতলকুচিতে কাটমানির টাকা ফেরত চেয়ে চলে বিক্ষোভ। কোথাও আবার তৃণমূল নেতা ছেলের তো লাবাজির মাশুল গুনলেন বাবা। কোথাও কাটমানি ফেরত চেয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনে চলল বিক্ষোভ। আবার কোথাও কাটমানি ফেরতের দিনক্ষণ জানিয়ে ঘোষণা করলেন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের সদস্য। মাথাভাঙ্গার পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আবার কাটমনির ফেরত দিতে দেখা গেল তৃণমূল নেতাদের।
২০২১-এ তৃণমূল আমলে দেওয়া টাকা ৫ বছর পর ফিরে পেলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। শুধু কাটমানি ফেরত দেওয়াই নয়, নিজেদের কুর্কীর্তি কথা স্বীকারও করলেন এলাকার তৃণমূল নেতারা। কোথাও আবার দেখা গেল তৃণমূল নেতা ছেলের তোলাবাজির মাশুল গুনলেন বাবা। পঞ্চায়েত প্রধানের অঞ্জলি বর্মনের স্বামীর বিরুদ্ধে এলাকায় পড়ে পোস্টার। প্রধানের স্বামী তৃণমূল নেতা যামিনী বর্মনকে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের সঙ্গে তুলনা করে ঝোলানো হল ফ্লেক্স।
সম্প্রতি এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে আরও একাধিক জায়গায়। তৃণমূল জমানায় কাটমানি নিয়েছিলেন। বিজেপির সরকার আসতেই সেই টাকা ফেরালেন পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য়। এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায়। তৃণমূলের আমলে নিয়েছিলেন কাটমানি। আর সরকার বদলাতেই সুরও বদল। রাস্তায় বসে টাকা ফেরত দিলেন পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য়। এই ছবি দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার।
এখানেই শেষ নয়, প্রকাশ্য়ে কাটমানি নেওয়ার কথাও স্বীকার করলেন তৃণমূল নেতা। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মাধবচন্দ্র লায়া, শিবরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ,তৃণমূলের আমলে 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্পে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চান ওই তৃণমূল নেতা। গ্রামের প্রায় ৪৫ জনের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছিলেন।নামখানার বাসিন্দা শঙ্কর সিন্হা বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে গেছে, দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকতে গেলে ৫ হাজার করে না দিলে আর তোমাদের টাকা দেওয়া হবে না।






















