TMC News: তৃণমূলের আইটি সেলের দায়িত্ব থেকে সরানো হল দেবাংশুকে, দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরই, এবার দায়িত্বে এলেন...
Debangshu Bhattacharya: গতকালই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। তার পরই কি আইটি সেলের ইনচার্জ পদ থেকে সরানো হল তাঁকে?

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের IT সেলের ইনচার্জের পদ থেকে সরানো হল দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। দেবাংশু ভট্টাচার্যর জায়গায় নতুন IT সেলের ইনচার্জ উপাসনা চৌধুরী।
গতকাল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লিতে বিদ্রোহী সাংসদের ব্লকে যোগ দেওয়া নিয়ে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন দেবাংশু। পরবর্তীতে সংবাদ মাধ্যমেও মুখ খোলেন তিনি। এর পরই IT সেলের ইনচার্জের পদ থেকে দেবাংশুকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সামনে এল। (Debangshu Bhattacharya)
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে হুগলিতে দেবাংশুকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। পরাজয়ের পর এখনও দলে রয়েছেন তিনি। তবে হেভিওয়েটরা পিঠটান দিতে শুরু করেছেন। একেবারে খান খান হয়ে গিয়েছে দল। সেই আবহে একদিন আগেই এবিপি আনন্দে মুখ খোলেন দেবাংশু। দলের একাধিক কাজকর্মে তিনি যে অখুশি, তা জানাতে দ্বিধা করেননি। আর তার পর শনিবারই তাঁকে তৃণমূলের IT সেল থেকে সরানো হল তাঁকে। দলে আনা হয়েছে উপাসনাকে। (TMC News)
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে এবার নতুন রাজনৈতিক দল, তৃণমূলের বিদ্রোহীরা যোগ দিচ্ছেন NCPI-তে, NDA-র বন্ধু
গতকাল দেবাংশু বলেন, "আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মান করি। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একজন সমর্থক।দলে যারা সর্বাধিক ক্ষমতা উপভোগ করেছে তারাই সবার আগে পালিয়েছে।আমি একবার তমলুকে গিয়েছিলাম লড়তে। দল জানত এটা কনফার্ম হারা সিট। দল মনে করেছে যে দেবাংশুকে তমলুক দেওয়া দরকার, আর বাকিদেরকে কলাগাছ আসন দেওয়া দরকার। হাওড়া জেলা আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট। সেখানে উড়িয়ে এনে সবচেয়ে সহজ সিটটা দেওয়া হয়েছে। তারাই সবার আগে বেইমানি করেছে। আর আমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল আট হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা চুঁচুড়াতে।"
আরও পড়ুন: ‘তুমি এলে সই করব’, শুভেন্দুকে বললেন সুদীপ, মমতাকে উপদেষ্টা চান তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা
ভাঙতে ভাঙতে তৃণমূল এখন ধুঁকছে। শুক্রবারই, তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন মানস ভুঁইয়া। তিনি তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী ছিলেন।
তিনি জানিয়েছেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন সমাজসেবা, রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে থাকবেন। দিল্লিতেও দল ভেঙে একেবারে খান খান। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থাৎ রাজধানীতে জোড়াফুল শিবিরের অস্তিত্ব কার্যত মুছে যাওয়ার জোগাড়। বিধানসভাতেও প্রায় ৬০ জন বিধায়ক নিজেদের 'আসল' তৃণমূল বলে দাবি করে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে বিরোধী দলনেতা মেনে নিয়েছেন। এমতাবস্থায় তৃণমূল দলটি আদৌ টিকে থাকতে পারবে কি না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকে তাকিয়ে সকলেই।






















