Durga Pujo Street Food: পুজোয় বাসি খাবার! বেশ কিছু রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডের দোকানে হানা দিতেই দেখা গেল এই দৃশ্য!
৭ দিনের মধ্যে নোটিসের উত্তর দিতে হবে ওই সব রেস্তোরাঁ ও দোকানগুলিকে এমনটাই জানান হচ্ছে।

পুজোয় একাধিক রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডের দোকানের বিরুদ্ধে বাসি খাবার বিক্রির বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। শুধু বাসি খাবারই নয়, পচা খাবার দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ডায়মন্ড হারবারে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ, পুরসভা ও দমকলের যৌথ অভিযানে পর্দাফাঁস হল। জেলা খাদ্য সুরক্ষা দফতর, পুরসভা ও পুলিশের যৌথ অভিযানেই প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বেশ কিছু রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছিল। পুজোয় বিক্রির জন্য রান্না করা খাবার মজুত করারও অভিযোগ উঠেছে ওই সব দোকানের জন্য।
বিজয়া দশমীর দিনই একের পর ছোট খাবারের দোকান ও রোস্তোরাঁয় অভিযান চালাল খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন দমকল, পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীরা। ডায়মন্ড হারবার শহরের ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের দুপাশে একের পর এক দোকানে গিয়ে খাবারের মান খতিয়ে দেখেন তাঁরা। আর সেখানেই উঠে আসে মারাত্মক ছবি!
পুরসভা সূত্রে খবর, একাধিক দোকান থেকে পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠছিল। হানা দিয়ে দু-তিন দিনের বাসি মাংসের হদিশ পান তদন্তকারীরা। খাদ্য সুরক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা ওই বাসি ও পচা মাংস বাজেয়াপ্ত করে পুকুরে ফেলে দেন। শুধু পচা মাংস বিক্রির অভিযোগই নয়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বাসি মাংস, খাবার ও রান্নার উপকরণ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফুড লাইসেন্সবিহীন রেস্তোরাঁ ও দোকানকে নোটিসও দেওয়া হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে নোটিসের উত্তর দিতে হবে।
সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে রেস্টুডেন্ট মালিকদের গ্রেপ্তার করা না হলেও সর্তক করেছে প্রশাসন। তা না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। এদিকে, আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দা। পুজোর দিনগুলিতে তাঁরা ঠিক খাবার খেয়েছেন কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা। শরীর খারাপ হবে না তো সেই আশঙ্কায় তাঁরা।
অভিযান চলাকালীন একাধিক হোটেল, রেস্তোরাঁর অনুমতি পত্র খতিয়ে দেখা হয়। বেশ কিছু জায়গায় নোংরা, নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবারের হদিশ মিলেছে। হোটেল ও ছোট খাবারের দোকানের মালিকদের সতর্ক করেছে পুরসভা।






















