Durgapur Incident: দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, অন্তত বাংলার মা-বোনেরা সুরক্ষিত থাকবেন, বলছেন দুর্গাপুরের নির্যাতিতা ডাক্তারি পড়ুয়ার বাবা
Durgapur Case: শুক্রবার রাতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গিয়েছে দুর্গাপুরে। তার ৩৬ ঘণ্টা পর এলাকা ঘিরেছে পুলিশ। ড্রোন উড়িয়ে জঙ্গলে চলছে তল্লাশি। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

হিন্দোল দে, দুর্গাপুর : দুর্গাপুরে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ছাত্রী। তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। তাঁর মেয়ের সঙ্গে এ হেন আচরণ যারা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন নির্যাতিতার বাবা। তাঁর কথায়, তাঁর মেয়ের সঙ্গে যা ঘটে গিয়েছে, তা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে। তাঁর মেয়ের সঙ্গে যারা এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের যেন কড়া শাস্তি হয়, তাহলে বাংলা মা-বোনেরা অন্তত সুরক্ষিত থাকবেন। যে সহপাঠীর সঙ্গে এই ছাত্রী কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়েছিলেন, সেই সহপাঠী কিংবা তাঁর বন্ধুবান্ধবরাও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার বাবা। সংবাদ সংস্থা এএনআই- কেও নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, মেয়ে ভালভাবে হাঁটতে পারছেন না। হাসপাতালের বিছানায় শোওয়াই রয়েছেন তিনি। মেয়ের নিরাপত্তার জন্য তাঁকে ওড়িশায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান নির্যাতিতার বাবা। তার জন্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা।
শুক্রবার রাতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গিয়েছে দুর্গাপুরে। তার ৩৬ ঘণ্টা পর এলাকা ঘিরেছে পুলিশ। ড্রোন উড়িয়ে জঙ্গলে চলছে তল্লাশি। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। রবিবার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দুর্গাপুরের ঘটনায় নির্যাতিতার সহপাঠী- সহ মোট ৬ জন পুলিশের নজরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। তারা সকলেই স্থানীয় বাসিন্দা। আরও একজনকে আটক করা হয়েছে, যার খোঁজেই ড্রোন উড়িয়ে জঙ্গলে এবং গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল রবিবার সকাল থেকে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ৩ জনের থেকে উদ্ধার হওয়া নির্যাতিতার মোবাইলের সিডিআর- সহ অন্যান্য সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে সহপাঠীর সঙ্গে নির্যাতিতা কলেজ থেকে বেরিয়েছিলেন, তাঁর ভূমিকাই বা এই গোটা ঘটনায় কী, সেটাও খতিয়ে দেখছেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা।
এই ঘটনায় এখনও ২ জন অধরা বলে খবর পুলিশ সূত্রে। জঙ্গলে চলছে তল্লাশি। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন পুলিশকর্মীরা। জঙ্গলের ভিতরেও অধরা ২ জন পালিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। তাদের ধরতে মরিয়া পুলিশ প্রশাসন। আর কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাও ভালভাবে খতিয়ে দেখেছেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা।






















