Durgapur Blood Donation: টাকার লোভ দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের দিয়ে রক্তদান, মারাত্মক অভিযোগ, 'কঠোরতম শাস্তি'র বার্তা মন্ত্রীর
অভিযোগ, দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের ৩ নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় মিশন হাসপাতালে।

কলকাতা: দুর্গাপুরে টাকার লোভ দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদেরকে রক্তদান করানোর মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, ৩০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ১২-১৩ বছরের পড়ুয়াদেরকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্তদান করানো হয়েছে। দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কড়া শাস্তি হবে বলে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
রক্তদান করলেই নাকি হাতে গরমা-গরম ৩০০ টাকা। আবার কাউকে এনে দিতে পারলে মিলবে কমিশনও। দুর্গাপুরে টাকার লোভ দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদেরকে রক্তদান করানোর মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠল।
স্কুল প্রিন্সিপাল বলেন, '১৪-১৫ বছরের বাচ্চা ব্লাড দিয়েছে। ওরা কিছুই জানে না। প্রত্যেকটা বাচ্চাকে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। ওরা যদি আবার কোনও বাচ্চাকে নিয়ে যায় তাদের ১০০ টাকা কমিশন দেওয়া হয় এবং যে ছেলেটি গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে এই গ্রুপটা ফর্ম করছে, সে নাকি তার থেকেও বেশি টাকা পায়, ১০০০-২০০০ টাকা পায়'।
অভিযোগ, দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের ৩ নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় মিশন হাসপাতালে। সেখানে তাঁদের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। রক্তদানের পর দেওয়া হয় সার্টিফিকেটও।
এক অভিভাবক বলেন, 'ব্যাগটা সার্চ করতে গেলাম স্কুল ব্যাগটা, তখন দেখলাম মিশন হাসপাতালের ব্লাড ডোনেশনের সার্টিফিকেট দেখলাম। আমি ভাবলাম হয়ত অন্য কারও। দেখলাম আমার ছেলের নাম লেখা আছে। আর ১৮+ আছে। ১৮ বছর এখনও হয়নি। এই অক্টোবরে ১৮ বছর পূর্ণ হবে। ওকে বুঝিয়েছে যে একটা বাচ্চার কিছু হয়েছে, ব্লাড দিয়ে দে। তোর মা-বাবার যদি কোনওদিন ব্লাড লাগে তাহলে দিতে পারব।'
এই ঘটনার অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে এসেছে সকুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের। মিশন হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার পার্থ পাল বলেন, 'আমাদের কাছে যা ডকুমেন্টেশন আছে, ২ জনের মনে হয়, তারা ১৮ আর ১৯ বছর লিখেছে। এটাই কনফিউশন। ১৬ বা ১৭ বছর হবে হয়ত। কিন্তু এত ছোট ১২ বছর, ১৩ বছর...আধার কার্ডের ভেরিফিকেশন হয় না'।
কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। মন্ত্রী বলেন, 'আমার জেলার মধ্যে যদি এরকম একটা ঘটনা ঘটে এটা অত্যন্ত ভয়ানক। এগুলো আমরা কোনওমতেই সহ্য করব না। কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হবে।'
দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে স্কুলের তরফে।























