Abhishek Banerjee: বুলডোজার অভিযান চলার মাঝেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে ১৬টি ট্রাঙ্ক নিয়ে হাজির প্রশাসন
Abhishek Banerjee's Office: তিনখানা বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয়ের সামনে।

পার্থ প্রতিম ঘোষ, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: আমতলায় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসে প্রশাসনের নির্দেশে চলল বুলডোজার। অভিষেকের আমতলার (Amtala) ৫ তলা কার্যালয়ে বুলডোজার অ্যাকশন। ৫ তলা অফিস বেআইনিভাবে তৈরির অভিযোগ, ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। অভিষেকের অফিসে বুলডোজার (Bulldozer) চলতেই উচ্ছ্বাস স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের। অভিষেকের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর বিজেপি (BJP) কর্মীদের। তাঁদের সরিয়ে দেয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। অভিষেকের কার্যালয় থেকে উদ্ধার হওয়া জিনিসপত্রের জন্য ১৬টি ট্রাঙ্ক নিয়ে হাজির প্রশাসন।
অভিষেকের আমতলার অফিসে বুলডোজার অ্যাকশনের মধ্যেই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে তাড়া করেন স্থানীয়রা। অভিষেকের ওই সাংসদ কার্যালয়, নথিভুক্ত লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কাছে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ দায়ের। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক ব্যক্তির নামে নোটিস। শুনানির জন্য ৩০ জুন ও ৭ জুলাই জোড়া নোটিস পাঠানো হয়। ১৫ জুলাই শুনানিতে ডাকা হলেও কেউ আসেননি, দাবি জেলা প্রশাসনের। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ। রাতারাতি বেকারি পুড়িয়ে কার্যালয় তৈরির অভিযোগ।
অভিষেকের আমতলার অফিসের সামনে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, 'এখানে অভিষেক ব্যানার্জী এলে ২ঘণ্টা আগে থেকে রোড ব্লক হয়ে যেত। কেউ যাওয়া-আসা করতে পারতাম না। যতদিন এই অফিস হয়েছে, অভিষেক আসা মানেই পুরো রোড জ্যাম। আমাদের নানা অসুবিধা হত। বাজার করতে যেতে পারতাম না। বাড়িতে যাওয়া-আসা করতে পারতাম না। এটা ভেঙে দেওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত। তাই দেখতে এসেছি। ছোটবেলায় দেখেছি এখানে বেকারি ছিল। অজানা কারণে বেকারিতে আগুন লেগে যায়। তারপর দেখা যায় এখানে একটা বড় বিল্ডিং হয়েছে। পরে জানতে পারি, এটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস।' অপর এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, 'নানারকম সন্ত্রাসবিরোধী কাজ এখানে হত। নানা প্রকল্প, মাটি-জমি বিক্রির অনেককিছু এখান থেকে কন্ট্রোল হত।'
এক স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, 'আমি ২০১১ সাল থেকে বিজেপি করছি। ২০২১ সালে আমার ওপর প্রচুর অত্যাচার হয়। আমার গোডাউনে ২০ লক্ষ টাকার মাল লুঠ করেছে। দোকান ভাঙচুর করেছে। এমনকি থানায় যেতে দেয়নি। তৃণমূলের লোকেরা বলেছে, থানায় অভিযোগ জানালে, আমায় মেরে ফেলবে। ২০২১-২০২৬ আরও ২৫ লক্ষ টাকা ওদের দিতে হয়েছে। তারপর আমি বেঁচে আছি। ব্যবসা করতে পেরেছি।'






















