Chandranath Sinha: খারিজ ED-র আবেদন, কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহকে হেফাজতে পেল না কেন্দ্রীয় এজেন্সি
Primary Recruitment Scam Case: মঙ্গলবারই আদালতে রায় ঘোষণার কথা ছিল, যে তিনি ED হেফাজতে যাবেন ? নাকি বাইরেই থাকবেন ?

কলকাতা : কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহকে হেফাজতে পেল না ED। তাঁর অন্তর্বর্তী জামিনই বহাল থাকল। সাতদিনের ইডি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে। তা এদিন খারিজ করে দেয় আদালত। তবে আদালত জানিয়েছে যে, আগামী ২৫ ও ২৬ তারিখে চন্দ্রনাথ সিংহকে বেলা ১১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ইডি অফিসে থাকতে হবে। এই সময়টায় ইডি যদি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়, তা করতে পারে। তারপরেও ইডি যদি মনে করে যে, তদন্তের জন্য ওঁর কোনও স্টেটমেন্ট, রেকর্ডিং বা ডকুমেন্টেশনের দরকার আছে, সেক্ষেত্রে তাঁকে আগাম সমন দিতে হবে। তদন্তে ED-র দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিচারক।
মঙ্গলবারই আদালতে রায় ঘোষণার কথা ছিল, যে তিনি ED হেফাজতে যাবেন ? নাকি বাইরেই থাকবেন ? কিন্তু, দুর্যোগের কারণে মঙ্গলবার বিচারভবনে কোনও মামলা না করার সিদ্ধান্ত নেন আইনজীবীরা। এজলাসে বসেননি বিচারকও। ফলে গতকাল রায় ঘোষণা হয়নি। চন্দ্রনাথ সিংহর ভাগ্য়ে কী রয়েছে, তা জানা যায় আজ, বুধবার।
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির চার্জশিটে, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ করেছে ED। এনিয়ে ED-র বিশেষ আদালতে শুনানি শেষ হয় শনিবার। শুনানিতে কারামন্ত্রীকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য় জোরাল সওয়াল করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির আইনজীবী দাবি করেন, চন্দ্রনাথ সিংহ বলেছিলেন, চাষবাস ও রিয়েল এস্টেট থেকে তাঁর টাকা এসেছে। যা সন্দেহজনক। আমরা এ সংক্রান্ত নথি পাইনি। উনি দেখাতে পারেননি। আমরা আরও নগদ লেনদেনের হদিশ পেয়েছি। তার জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। যে যে নথি পাওয়া গেছে, তা চন্দ্রনাথ সিংহর হেফাজত হওয়ার জন্য় যথেষ্ট। উনি শুধু প্রভাবশালীই নন, রাজনৈতিক ক্ষমতাশালী। কারণ, চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে তিনি কোনও নথিই দিচ্ছিলেন না। এর থেকেই বোঝা যায় তাঁর প্রভাব কতটা । ইডির আইনজীবী দাবি করেন, হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। যে নথি পাওয়া গেছে, তা চন্দ্রনাথ সিংহকে হেফাজত পাওয়ার জন্য় যথেষ্ট। পাল্টা চন্দ্রনাথ সিংহর আইনজীবী দাবি করেন, তদন্তের জন্যও হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। ইডি বেশকিছু তথ্য চেয়েছিল, যা কম সময়ে দেওয়া যায় না। এই তথ্য হাতের কাছে থাকে না। চার্জশিট জমা দেওয়ার পর, আবার পিছন ফিরে পুরনো কী তদন্ত করতে চাইছে ?






















