Yuva Sathi :যুব সাথী প্রকল্পে নাম তুলতে লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন BJP নেত্রীর, বললেন " প্রকল্প তো অবশ্যই ভাল" !
Goghat BJP Leader Fill Up Yuva Sathi: যুব সাথী প্রকল্পে নাম তুলতে লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন বিজেপি নেত্রীর। হুগলির গোঘাটে ধরা পড়ল সেই ছবি। কী বললেন তিনি ?

বাপন সাঁতরা, জয়ন্ত পাল, হুগলি: যুব সাথী প্রকল্পে নাম তুলতে লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন বিজেপি নেত্রীর। হুগলির গোঘাটে ধরা পড়ল সেই ছবি। একইসঙ্গে প্রকল্প নিয়ে প্রশংসাও শোনা গেল বিজেপি নেত্রীর গলায়। আর এ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
আরও পড়ুন, বড় খবর ! নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের
আরামবাগ টাউন মহিলা মোর্চা বিজেপি কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্ত বলেন, ফর্ম ফিলাপ তো করলামই। প্রকল্প তো অবশ্যই ভাল। বিধানসভা ভোটের আগে 'বেকার ভাতা' প্রকল্প চালু করেছে তৃণমূল সরকার। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পকে ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে শাসক-বিরোধী তরজা। এই আবহেই বৃহস্পতিবার হুগলির গোঘাট ২ নম্বর ব্লক অফিসে বেকার ভাতার ফর্ম পূরণ করতে দেখা গেল বিজেপির আরামবাগ টাউন মহিলা মোর্চার আহ্বায়ক সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে।
আরামবাগ টাউন মহিলা মোর্চা বিজেপি কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্ত বলেন, ফর্ম ফিলাপ তো করলামই। আগে যদিও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল যেগুলো আমি কোনটাই করিনি, কিন্তু এটা করলাম। টাকাটা কি টিএমসি দিচ্ছে না কী? বলে দিক তৃণমূলের, বেরিয়ে চলে যাব। বিজেপি নেত্রীর দাবি, ছেলের জন্য বেকার ভাতার লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যদিও সেই দাবি নস্য়াৎ করে তৃণমূলের দাবি, নিজের জন্যই আবেদন করেছেন তিনি। সুদেষ্ণা অধিকারী বলেন, বেকার ভাতার দেড় হাজার টাকা করে দিচ্ছে, ছেলের ফর্ম ফিলাপের জন্য আসা। প্রকল্প তো অবশ্যই ভাল। সাধারণ মানুষ, কিছু বেকার তাঁদের চাকরির ফর্ম ফিলাপ করতেও টাকা লাগে। অনেক সময় তাঁরা মা-বাবার কাছে চাইতে পারে না। সেটার জন্য অবশ্যই সাধুবাদ জানায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে।
গোঘাট তৃণমূল ব্লক সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, তিনি নিজে করেছেন নিজের নামে। ছেলে কোথায়? তিনি নিজে ফর্ম তুললেন, সংগ্রহ করলেন।সংগ্রহ করে ফর্ম পূরণ করে জমা করলেন। এই ইস্য়ুতে তুঙ্গে উঠেছে শাসক-বিরোধী তরজা।বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপির লোক কেন নেবে না? সবার নেওয়া উচিত। পয়সাটা তৃণমূল কংগ্রেসের পৈতৃক সম্পত্তি নয়।
গোঘাট তৃণমূল ব্লক সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, এটাই তো বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী যাকে আমরা বলি। যিনি এই প্রকল্পটা আনেন সেটা শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য বলব না, সর্বস্তরের মানুষের জন্য। কোনও দল দেখেননা তিনি। বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, সরকারি প্রকল্প তো। বিজেপির লোক কেন নেবে না? সবার নেওয়া উচিত। পয়সাটা তৃণমূল কংগ্রেসের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আমার করের টাকা আছে ওর মধ্য়ে।বিজেপির লোকেরা কর দেয় না?
জলপাইগুড়ি থেকে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া।'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পে রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোথাও সহায়তা শিবিরে হাজির বিজেপি নেতারা ,'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের জন্য সহায়তা শিবির করেছে সিপিএম! সরকারি প্রকল্প সবার জন্য!কিন্তু, সেই প্রকল্প ঘিরেই বিভিন্ন সময় হুমকি-হুঁশিয়ারির অভিযোগ সামনে আসে।এই আবহেই অন্য ছবি ধরা পড়ল হুগলির গোঘাটে।























