Hooghly Clash: নাবালকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র মগরা, অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর
বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশের লাঠিচার্জ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি বিক্ষোভকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ পুলিশের।

সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, মগরা: নাবালকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র মগরা (Magra)। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের খণ্ডযুদ্ধ। নাবালকের বান্ধবীর পরিবারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ। অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর মৃতের আত্মীয়-পরিজনদের। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের খণ্ডযুদ্ধ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশের লাঠিচার্জ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি বিক্ষোভকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ পুলিশের। ১৪ নভেম্বর সকালে নিখোঁজ নাবালক, রাতে রেললাইনে উদ্ধার মৃতদেহ। নাবালকের বান্ধবীর পরিবারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মৃতের পরিবারের।
রণক্ষেত্র মগরা: এক কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যুর জেরে ধুন্ধুমার। কিশোরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, এই অভিযোগে এক নাবালিকার বাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। নাবালিকার পরিবারকে বাঁচাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। লাঠিচার্জ করে মারমুখি স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। সোমবার সকালে হুগলির মগরা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ১৭ বছরের কিশোরের দেহ সনাক্ত হওয়ার পর।
পরিবার সূত্রে দাবি, গত ১৪ নভেম্বর থেকে ওই কিশোরের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার ওইদিনই মগরা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। ১৪ নভেম্বর রাতে মগরা স্টেশনের কাছে ব্যান্ডেল জিআরপি কিশোরের দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠায়। রবিবার মগরা থানার পুলিশ কিশোরের দেহ মর্গে আছে জানতে পেরে বাড়ির লোককে খবর দেয়। সোমবার ভোরে হাসপাতালের মর্গে দেহ সনাক্ত করার পরই উত্তেজনা ছড়ায়। কিশোরের পরিবারের দাবি, স্থানীয় এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিশোরের। কিন্তু কিশোরীর বাবার এই সম্পর্কে আপত্তি ছিল। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সেই কারণেই কিশোরকে খুন করে দেহ রেল লাইনে ফেলে দেওয়া হয়।
খণ্ডুযুদ্ধে আহত হন কয়েকজন গ্রামবাসী। তাঁদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিত্সা হয়। ঘটনায় দেরিতে দেহ সনাক্ত নিয়ে ফের সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে, মর্গে যে কিশোরের দেহ পড়ে আছে, তা জানতে এতদিন কেন লাগল পুলিশের? পুলিশ সূত্রে দাবি, চুঁচুড়া ইমামবড়া হাসপাতালের মর্গে যে দেহ রাখা ছিল, সেখানে নথিতে বয়েস লেখা ছিল ২৪। সেই কারণেই প্রথমে ওই দেহটি খতিয়ে দেখা হয়নি। পরে সন্দেহ হয়, দেহটি নিখোঁজ কিশোরের হতে পারে। ইতিমধ্যে নাবালিকার পরিবারকে সরিয়ে নিয়ে গেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, জনস্বার্থ মামলা দায়ের শুভেন্দুর
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
