Police Officer Arrested: ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও পুলিশ অফিসার, গ্রেফতার ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর
Police Officer Arrested While Taking Bribe: জানা গিয়েছে, ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছেন ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকার। রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : ঝাড়গ্রামের পর হাওড়া, ফের ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও সরকারি আধিকারিক। এবার ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও হলেন এক পুলিশ অফিসার। জানা গিয়েছে, ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছেন ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকার। রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন এই পুলিশ আধিকারিক। ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় পাকড়াও করা হয়েছে ব্যাঁটরা থানার এই সাব ইন্সপেক্টরকে।
কিছুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ আইপিএস মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে প্রচুর আইপিএস অফিসারকে নিযুক্ত করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ঝাড়গ্রামে, বিডিও অফিসের একজন ইঞ্জিনিয়ারকে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা। আজ দু'জায়গা থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘুষ নেওয়ার সময়েই হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছেন তিনি। ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। প্রিভেশন অফ করাপশন অ্যাক্টে ধৃত সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।
বড় আপডেট হাওয়া অফিসের, গভীর নিম্নচাপ, নাগাড়ে বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা, আর কতদিন চলবে দুর্যোগ ?
অন্যদিকে পাঁশকুড়াতে সাহাবুদ্দিন মল্লিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা। এই সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে বেআইনি ভাবে রক্ত বিক্রি করছিলেন। তদন্তকারীদের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত রয়েছে। তাদের খোঁজেও শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।
এর আগে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। জামবনির BDO অফিস থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় বিমল সাহা নামের বিডিও অফিসের ওই সাব অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে। জানা যায়, জাববনির বিডিও অফিস থেকে ঘুষ নিচ্ছিলেন এই অভিযুক্ত ব্যক্তি। একজন কনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন বিমল সাহা। তিনি টাকার বিনিময়ে কাজের জন্য ঘুষ নিচ্ছিলেন বলে জানা যায়।
একেবারে ছদ্মবেশে অফিসাররা বিডিও অফিসে পৌঁছেছিলেন। টাকার মধ্যে কিছু কেমিক্যাল লাগিয়ে নেওয়া হয়। সাধারণত এক্ষেত্রে ফেনলফথালিন টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রাসায়নিক পরীক্ষা করার সময় ধরা পড়ে যান অভিযুক্ত সেই আধিকারিক। তিনি যখন টাকাগুলো নিতে যান, তাঁর হাতে সেই রং লেগে যায়। জলে সেই আধিকারিদের হাত চোবানো হলে দেখা যায় যে জলের রং গোলাপি হয়ে যাচ্ছে।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari | পুরভোটে হলদিয়াকে 'বিরোধীশূন্য' করার ডাক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর |























