Howrah Shootout: হাওড়ায় প্রোমোটার খুনের ঘটনাস্থলের কাছেই একাধিক প্রশাসনিক ভবন, তারপরেও কীভাবে এতটা বেপরোয়া দুষ্কৃতীরা
Howrah News: হাওড়ায় প্রোমোটারকে খুনের পর সেখানেই গা-ঢাকা দিয়েছিল এই ২ জন। কিন্তু এখন তারা কোথায়? খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

Howrah Shootout: ভোরবেলায় রাস্তার মধ্যে 'খুল্লমখুল্লা খুন'। প্রথমে পিছন থেকে গুলি। আক্রান্ত মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই সামনে থেকে মাথায়, বুকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুষ্কৃতীরা। ভরা রাস্তায় লোকজনের মাঝে প্রোমোটারকে নৃশংসভাবে খুনের পর এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় ২ আততায়ী হারুন খান এবং রোহিত হোসেন। প্রথমে একটি বাইক থামানোর চেষ্টা করে তারা। সেটি থামেনি। তারপর আরেকটি বাইক থামিয়ে তাতে চড়ে গলি দিয়ে পালিয়ে মূল রাস্তায় এসে ট্যাক্সি চড়ে জোড়াসাঁকোতে পালায় ২ আততায়ী হারুন ও রোহিত। হাওড়ায় প্রোমোটারকে খুনের পর সেখানেই গা-ঢাকা দিয়েছিল এই ২ জন। কিন্তু এখন তারা কোথায়? খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।
হাওড়ায় এই বেপরোয়া দুষ্কৃতীরাজ দেখে আতঙ্কে এলাকাবাসী, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, উঠছে প্রচুর প্রশ্নও
প্রত্যন্ত বা জনমানবহীন কোনও জায়গা নয়, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানা রোডে যেখানে প্রোমোটারের খুন হয়েছে, তার কাছে পিঠেই রয়েছে একের পর এক প্রশাসনিক ভবন। জেলাশাসকের অফিস থেকে শুরু করে পুলিশ কমিশনারের অফিস। কী নেই! আর একটু এগোলেই রয়েছে মেট্রো স্টেশন, হাওড়া স্টেশনের মতো পয়েন্ট। এমন একটা জায়গায় ভোরবেলা পরপর গুলি করে খুনের ঘটনা ঘিরে উঠছে নিরাপত্তার প্রশ্ন। দুষ্কৃতীদের এ হেন বেপরোয়া কার্যকলাপের জেরে আতঙ্কের পরিবেশ এলাকায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পিলখানা সেকেন্ড লেন থেকে গোলাবাড়ি থানার দূরত্ব মেরেকেটে দেড় কিলোমিটার। পিলখানা সেকেন্ড লেন থেকে গোলাবাড়ি থানার দূরত্ব মেরেকেটে দেড় কিলোমিটার। হাওড়ার জেলাশাসকের অফিসের দূরত্ব আড়াই কিলোমিটারেরও কম। হাওড়ার পুলিশ কমিশনারের অফিসও আড়াই কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে। আর নবান্ন ৬.৪ কিলোমিটার দূরে। শুধু থানা বা প্রশাসনিক ভবনই নয়, যেখানে খুনের ঘটনা ঘটেছে তার থেকে হাওড়া স্টেশনের দূরত্ব ২ কিলোমিটার। আর হাওড়া মেট্রো স্টেশনের দূরত্ব দেড় কিলোমিটার।
এরকম একটি এলাকায় কীভাবে প্রোমোটারকে খুনের পর ২ আততায়ী সকলের চোখের সামনে দিয়ে চম্পট দিল এবং বর্তমানে এমন জায়গায় তারা আত্মগোপন করেছে যে এখনও তাদের নাগাল পায়নি পুলিশ, এইসব নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রচুর প্রশ্ন। জোড়াসাঁকোতে গা-ঢাকা দেওয়ার পর কোথায় পালিয়েছে ২ আততায়ী হারুন এবং রোহিত, হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই খুন হয়েছে। যদি মৃতের পরিবার তোলাবাজির অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, সফিকের কাছে মোটা টাকা তোলা চেয়েছিল হারুন ও রোহিত। টাকা দিতে না পারায় মেরে ফেলা হয়েছে সফিককে।























