IIM Joka Incident: ক্যাম্পাসের কোথায় কোথায় গেছিলেন তরুণী? IIM জোকার ঘটনায় CCTV ফুটেজ চাইল পুলিশ
Kolkata News: জোকার IIM কলকাতায় মনোবিদকে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তে ক্যাম্পাসের সমস্ত CC ক্যামেরার ফুটেজ চাইল পুলিশ।

পার্থ প্রতিম ঘোষ, কলকাতা: জোকা আইআইএম-এ ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন? এবার ক্যাম্পাসের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ চাইল পুলিশ। কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন তরুণী, কে নিয়ে গিয়েছিলেন? জানতে ফুটেজ তলব করল পুলিশ।
জোকার ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। জোকার IIM কলকাতায় মনোবিদকে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তে ক্যাম্পাসের সমস্ত CC ক্যামেরার ফুটেজ চাইল পুলিশ। সূত্রের খবর, রাস্তায় লাগানো CC ক্যামেরায় শুক্রবার তরুণী মনোবিদকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেখা যায়। তরুণী ক্যাম্পাসের কোথায় কোথায় গেছিলেন, কে তাঁকে নিয়ে গেছিলেন, সেই সমস্ত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, লেক ভিউ হস্টেলের যে ঘরে যৌন নির্যাতন হয়েছে বলে অভিযোগ, সেই রুম সিল করে দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অভিযুক্তের পোশাক। ধৃত ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়ার মেডিকো লিগাল টেস্ট করানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে দ্বিতীয় বর্ষের ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম পরমানন্দ মহাবীর তোপ্পাঁওয়ার। বছর ২৬-এর যুবক কর্ণাটকের বালিকোট জেলার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে দাবি, নির্যাতিতা বয়ানে জানিয়েছেন, তিনি পেশায় মনোবিদ। অভিযুক্তর সঙ্গে তাঁর সোশাল মিডিয়ায় আলাপ হয়। পরিকল্পনা করেই, সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিংয়ের জন্য শুক্রবার তাঁকে ক্যাম্পাসে ডাকেন অভিযুক্ত পড়ুয়া। বেলা পৌনে ১২টার সময় জোকার IIM-এ যান ওই তরুণী। পুলিশ সূত্রে দাবি, নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, তাঁকে ক্যাম্পাসের লেক ভিউ হস্টেলে নিজের ১৫১ নম্বর রুমে নিয়ে যান ওই ছাত্র। দুপুরে তরুণীকে পিৎজা ও জল খেতে দেওয়া হয়। তা খেয়েই তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন ওই তরুণী। নির্যাতনে বাধা দিলে তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর তাঁর ওপর যৌন নির্যাতন চলে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, বয়ানে নির্যাতিতা জানিয়েছেন, রাত ৮টা ৩৫-এ জ্ঞান ফিরলে দেখতে পান তিনি অভিযুক্তের হস্টেলের ঘরেই পড়ে আছেন। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা নির্যাতিতা অভিযুক্তর হস্টেল রুমেই ছিলেন। এই ঘটনায় নির্যাতিতা হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।এরপরই গ্রেফতার করা হয় ছাত্রকে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করার পাশাপাশি, কথা বলা হয়েছে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। ধৃতের বিরুদ্ধে BNSS-এর ১২৩ ধারায় অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কিছু খাইয়ে আচ্ছন্ন করা, ১২৭ (২) ধারায় জোর করে আটকে রাখা ১১৫-(২)-এ মারধর ৭৬ ধারায় শ্লীলতাহানি এবং ৬৪ নম্বর ধারায় ধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে। এদিন ধৃতকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে জামিনের আবেদন নাকচ করে ১৯ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।






















