LPG Cylinder Crisis: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে হাহাকার সর্বত্র, পাম্পে নেই সিএনজি, আগামীতে কোন অনিশ্চয়তা? আশঙ্কা বাড়ছেই
LPG Cylinder And CNG Crisis: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ এবার লাগতে শুরু করেছে আম জনতার ঘরে। গ্য়াস সিলিন্ডারের জন্য় অনেক জায়গায় কার্যত হাহাকারের পরিস্থিতি।

LPG Cylinder Crisis: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে হাহাকার। দাম আগেই বেড়েছে। এখন বুকিং নিয়ে চলছে সমস্যা। অনলাইনে বুকিং হচ্ছে না অনেকের। গ্যাসের অফিসে গিয়েও যে সকলের সমস্যার সমাধান হচ্ছে তাও নয়। কেউ বলছেন, 'বাড়িতে ৩টে গ্যাস সিলিন্ডার লাগে মাসে। কত বাঁচিয়ে চলব?' কোনও রেস্তোরাঁর মালিক বলছেন, 'গ্যাসের বুকিং না হলে কী করব?' আরেক হোটেলের মালিক আবার বলেছেন, ৪ দিন ধরে গ্যাস বন্ধ। বাধ্য হয়েই কয়লাতে রান্না শুরু করেছেন।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ এবার লাগতে শুরু করেছে আম জনতার ঘরে। গ্য়াস সিলিন্ডারের জন্য় অনেক জায়গায় কার্যত হাহাকারের পরিস্থিতি। গ্য়াস সিলিন্ডারের আকালে একাধিক নামী রেস্তোরাঁ বন্ধের মুখে। বহু ছোট রেস্তোরাঁ বাধ্য় হয়ে ফিরেছে কয়লার উনুনে। সবার মনে এখন ভয় টাকা দিলেও গ্যাস কিনতে পারবেন তো? কলকাতা থেকে জেলা গ্য়াস ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিসের সামনে লম্বা লাইন। অনেকেই গ্যাস বুক করে রেখেছেন আগেভাগেই। কিন্তু হাতে এসে পৌঁছয়নি সিলিন্ডার।
দিকে-দিকে গ্য়াসের জন্য বাড়ছে দুশ্চিন্তা। ঘর থেকে রেস্তোরাঁ, কার্যত হাঁড়ি না চড়ার পরিস্থিতি বহু জায়গায়! রান্নাবান্না কমাতে হয়েছে কলকাতার বহু রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে। গ্যাস না পেয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ। কলকাতায় বলারাম মল্লিক-রাধারমণ মল্লিকের আউটলেট রয়েছে ১৮টি। সিলিন্ডারের আকালের জেরে কমাতে হয়েছে উৎপাদন! আগামী দিনে কী হবে বুঝে উঠতে পারছেন না সংস্থার কর্তারা। সিলিন্ডারের আকালের জেরে চাপের মধ্যে শহরের নামী রেস্তোরাঁ মেনল্যান্ড চায়নার কর্মকর্তারাও। শুধু কলকাতা নয়, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু থেকে লখনউ -- বিভিন্ন রাজ্যের হোটেল-রেস্তোরাঁ-দোকানের ঝাঁপ ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একে দামের ছ্যাঁকা, তার সঙ্গে চিন্তা বাড়িয়েছে জোগানের অভাব। সব মিলিয়ে ছোট-বড় হোটেল-রেস্তোরাঁ, সবারই দুর্ভোগ চরমে।
শুধু ছোট হোটেল-রেস্তোরাঁ নয়, গ্যাসের আকালে বিপাকে পড়েছে বড়ো রেস্তোরাঁগুলিও। গ্য়াসের আকালে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। রান্নার গ্যাস না পেয়ে মাথাভাঙায় গ্যাসের ডিসট্রিবিউটরের অফিসে বিক্ষোভ দেখান গ্রাহকরা। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রেস্তোরাঁ সংস্থার সঙ্গে কথা বলে তাদের LPG সরবরাহের সমস্য়া বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযোগ শোনার জন্য সরকার ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছে IOC, HPCL এবং BPCL-এর একজিকিউটিভ ডিরেক্টররা। এই কমিটি প্রয়োজনীয়তা অনুসারে সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে, পাম্পে সিএনজি পাচ্ছেন না অটোচালকরা। অফিস টাইমে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও শয়ে শয়ে অটো দাঁড়িয়ে রয়েছে। চালকদের বেশিরভাগেরই অভিযোগ, শহরের বিভিন্ন প্রান্তের পাম্পে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে না সিএনজি। গ্যাস না থাকায় গাড়ি চালাতে পারছেন না তাঁরা। এদিক-ওদিক গ্যাসের খোঁজে যেতে গিয়ে সময় নষ্টও হচ্ছে। আর তার জেরে বিভিন্ন রুটে ভাড়া বাড়ছে অটোর। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে যেভাবে গ্যাসের আকাল দেখা গিয়েছে তার প্রভাবে এখন থেকেই চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।























