Jadavpur University:'অনামিকাকে কি জলে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল? ' যাদবপুর পড়ুয়ার মৃত্যুতে প্রশ্ন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারের
JU Student Death Mystery : যাদবপুর পড়ুয়ার মৃত্যুতে কী কী প্রশ্ন তুললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার ?

কলকাতা: কীভাবে জলে ডুবে গেলেন যাদবপুরের ছাত্রী? একাই গিয়েছিলেন? নাকি অন্য কেউ সঙ্গে ছিল? ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া অনামিকা মণ্ডলের মৃত্য়ু ঘিরে উঠে আসছে এরকম একাধিক প্রশ্ন। আজ ক্যাম্পাসে গিয়ে ঘটনাস্থল ও আশেপাশের এলাকা সরেজমিনে খতিয়ে দেখলেন তদন্তকারীরা। এবার এই ঘটনায় বড় প্রশ্ন তুললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার।
আরও পড়ুন, সোমবার সিজার, গতকাল বাড়ি ফেরা, আজ সদ্যোজাত সন্তানকে রেখেই পরীক্ষার হলে গেলেন মা
'এত অভাব যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আগের ছেলেছি যখন মারা গিয়েছিল তখনও সিসিটিভি ছিল না। কমিশনের তো কিছু দায়িত্ব দায়বদ্ধতা আছে। এর কারণটা কী? ছাত্রীটি জলে ডুবে যে মরেছে, তাঁকে কি জলে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল? নিজে থেকে ডুবেছে, পড়ে গেছে?' বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার।
মৃত অনামিকা মণ্ডলের বাবা অর্ণব মণ্ডল বলেন,আমি কী রকম হতভাগ্য! আমার শেষকৃত্য করার কথা ছিল ওর। সেটা আমাকে আজকে ওর শেষকৃত্য় করতে হল। লক্ষ্মীবারেই অন্ধকার করে চলে গেছে ঘরের লক্ষ্মী!বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্য়ালয়ে অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে, ক্য়াম্পাসের ঝিলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সেই চরম দুঃসংবাদ পেয়েছিল পরিবার। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আনন্দের পরিবেশ একমূহূর্তে আতঙ্কে বদলে দিয়ে, ক্যাম্পাসের ঝিল থেকে উদ্ধার হয়েছিল ছাত্রীর অচৈতন্য দেহ।যাঁকে পাশের কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবারের ভয়ঙ্কর সেই ঘটনার ৩ দিনের মাথায়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখলেন তদন্তকারীরা।দুপুরে ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতা ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে নিয়ে সেখানে গেল যাদবপুর থানার পুলিশ।সন্ধেবেলা সেখানে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করল ফরেন্সিক টিম। যে ঝিল থেকে ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের দেহ উদ্ধার হয়, সেই জায়গাও ঘুরে দেখলেন তদন্তকারীরা।কলকাতা পুলিশ DC SSD বিদিশা কলিতা বলেন, আমরা সব অ্যাঙ্গলে খতিয়ে দেখছি। আমাদের সঙ্গে PM-এর ডাক্তারও (ময়নাতদন্তের চিকিৎসক) আছেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে,কিছুটা এগিয়ে গেলেই বাঁ হাতে প্রথমে পড়ে আর্টস বিল্ডিং। তার লাগোয়া পার্কিং লটে করা হয়েছিল অনুষ্ঠানের আয়োজন। আর ডান হাতে পড়ে আর্টস ফ্যাকাল্টির ইউনিয়ন রুম। ইউনিয়ন রুমের পিছন দিকে রয়েছে জোড়া শৌচালয়। শৌচালয়ের সামনে রয়েছে সরু রাস্তা যা ক্যাম্পাস রোডে গিয়ে মিশেছে। শৌচালয়ের সামনেই রয়েছে ঝিল। বৃহস্পতিবার এই ঝিল থেকেই নিমতার বাসিন্দা ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। কী ছিল সেই ঘটনাক্রম? মৃত অনামিকা মণ্ডলের বাবার দাবি, বৃহস্পতিবার রাত ৯. ০১ নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বাউল গানের ভিডিও পাঠায় তাঁদের। রাত ৯.০৮-এ অনামিকা বাড়িতে ফোন করে জানান সাড়ে ৯টার মধ্যে তিনি ক্যাম্পাস থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেবেন।কিন্তু শেষপর্যন্ত বাবা-মায়ের কাছে আর ফেরা হয়নি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর।






















