Jalpaiguri News: সরস্বতী পুজোর দিনে লোকালয়ে 'ইন্দ্রের বাহন' !
Jalpaiguri Mal Bazar Elephant Attacked সরস্বতী পুজোর দিনে ডামডিমে চাঁদ জঙ্গল থেকে লোকালয়ে 'ইন্দ্রের বাহন' ! যা হল মালবাজারে ..

রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি: জঙ্গল থেকে লোকালয়ে দলছুট দাঁতাল। মালবাজারে ডামডিমে চাঁদ জঙ্গল থেকে লোকালয়ে দাঁতাল হাতি। উত্য়ক্ত করায় ক্ষিপ্ত হয়ে কংক্রিটের ওয়াচ টাওয়ারে ধাক্কা। বন দফতরের চেষ্টায় জঙ্গলে ফিরল হাতি।

জঙ্গল থেকে লোকালয়ে বেরিয়ে এল দলছুট দাতাল হাতি। যা দেখতে ভিড় জমায় গ্রামের মানুষ। আর এরপরেই মানুষের অত্যাচারে রেগে গিয়ে কংক্রিটের ওয়াচ টাওয়ারে ধাক্কা দেয় সে। গুরুতর আহত হাতিটি। মালবাজার মহাকুমার অন্তর্গত ডাম ডিম এলাকার আলাপ চাঁদ জঙ্গল থেকে হাতিটি বেরিয়ে এসেছিল ডামডিমের সেনপাড়া এলাকায় ।
সেই হাতি টিকে উত্যক্ত করতেও দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। রাগে হাতিটি কংক্রিটের তৈরি ওয়াচ টাওয়ারে গিয়ে সজরে ধাক্কা মারে। যার জেরে হাতিটি আহত হয় বলে দাবি পরিবেশপ্রেমীদের। যদিও সেই সময় বন দফতরে কর্মীরা দাঁড়িয়েছিলেন সেখানেই। হাতিটি আহত হওয়ার পর নিস্তেজ হয়ে গ্রামের মাঠেই দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। রাতে বনদপ্তরের চেষ্টায় হাতিটিকে জঙ্গলে পাঠাটে সক্ষম হয় বনকর্মীরা।
খাবারের খোঁজে অনেকসময়ই হাতির দল লোকালয়ে নেমে আসে। কখনও খাবার পায়, কখনও আবার চাষের জমিতে হামলা চালায়। কখনও আবার হাতি নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়। তবে এবার ঘুমের ঘোরে আর দাঁতালের মুখোমুখি হতে হবে না। বাঁকুড়া উত্তর বর্ণ বিভাগের বেলিয়াতোড় ফরেস্ট রেঞ্জের উদ্যোগে এক বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে বুনো হাতিদের জন্য।
প্রসঙ্গত বাঁকুড়ার উত্তর বনবিভাগ এলাকার বড়জোড়া রেঞ্জ ও বেলিয়াতোড় রেঞ্জ এলাকায় হাতি করিডোর করা হয়। বা বেলিয়াতোড় জঙ্গল যে সমস্ত গ্রামগুলি রয়েছে সেগুলি হাতি প্রবণ এলাকা। বিভিন্ন সময় দেখা যায় জঙ্গলের মধ্যে খাবার না পেয়ে হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে খাবারের সন্ধানে এবং তার ফলে মানুষের বহু ক্ষতি হয়। গত বছর এই সাধারণ মানুষদের কথা ভেবে এবং বনের মধ্যেই হাতিদের খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয় বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগের বেলিয়াতোড় ফরেস্ট রেঞ্জের পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন, বিদ্যার দেবীর পুজোর দিনেই প্রধান শিক্ষককে 'মার'! পা ভাঙল শিক্ষাদাতার, কাঠগড়ায় TMC নেতা-কর্মীরা
কিছু বছর আগে উত্তরবঙ্গ থেকে বিশেষ ঘাস এনে লাগানো হয় জঙ্গল এলাকায়। এবং হাতিদের প্রিয় খাবার ও খাবার যোগ্য যে সমস্ত দেশি ফলের গাছ ছিল যেমন কলা, কাঁঠাল, ইত্যাদি গাছ লাগানো হচ্ছে বেলিয়াতোড় রেঞ্জের জঙ্গলে। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। ধনীপাড়া গ্রামের গৌতম কারক নামের এক বাসিন্দা বলেছিলেন বনদফতরের পক্ষ থেকে যে গাছ লাগানো হচ্ছে এতে হাতি জঙ্গলের মধ্যেই খাবার পেয়ে যাবে আশা করছি আমাদের গ্রামে হাতি আর আসবে না।






















