Jalpaiguri News:জলপাইগুড়িতে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ, মুখ খুললে 'প্রাণে মারার হুমকি' ! অভিযোগ নির্যাতিতার
Jalpaiguri Molestation Case: চারিদিকে উৎসবের আলো, আর তখনই মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ্যে এল জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে ! ঘটনায় গ্রেফতার ৩

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ। ময়নাগুড়িতে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩। বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ। মুখ খুললে প্রাণে মারার হুমকি, অভিযোগ নির্যাতিতার।

আরও পড়ুন, দূরে গল্পে মেতেছিলেন বাকিরা, সেই সুযোগে কালীপুজোর সন্ধ্যায় বাজি পোড়ানোর অছিলায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ কলকাতার গড়ফায় !
সাম্প্রতিককালে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। ঠিক এহেন পরিস্থিতির মাঝেই সম্প্রতি ঘটে যায় আরও একটি ঘটনা। আর জি করের পর দুর্গাপুরের আইকিউ সিটি মেডিক্য়াল কলেজ। এক ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে ফের তোলপাড় রাজ্য়। শুধু তাই নয়। দুর্গাপুরের নির্যাতিতার বাবা পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা-ও মনে করিয়ে দিয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের কথা। দুর্গাপুরের নির্যাতিতা ছাত্রীর বাবার এই যন্ত্রণা মনে করিয়ে দিচ্ছে, আরেক মা-বাবার কথা। আর জি কর মেডিক্য়ালের সেই তরুণী চিকিৎসকের মা-বাবা। যাঁদের সারা জীবনের স্বপ্ন এভাবেই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। মিল শুধু এখানেই নয়। দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডের পর নির্যাতিতার বাবা পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা-ও মনে করিয়ে দিয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের কথা। কারণ, ঠিক একইরকম গড়িমসি কিংবা গাফিলতির অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে উঠেছিল তখনও।
দুর্গাপুরের নির্যাতিতার বাবার দাবি, এই ঘটনার পর হাসপাতালে গেলেও তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। দুর্গাপুরকাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা বলেছিলেন, 'আমি হাসপাতালে গেলাম। কী রেকর্ডিং করছিল। আমাকে আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বলল।'এই অভিযোগও মনে করিয়ে দিয়েছে আর জি কর-কাণ্ডে নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার সেই বিস্ফোরক অভিযোগের কথা।নিহত চিকিৎসকের মা বলেছিলেন, 'আমরা তো পুলিশের পায়ে ধরছি, যে আমার মেয়েকে একবার মুখ দেখাও। মুখ দেখতে দাও। বলছে তদন্ত চলছে। আমরা প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ ঢুকে গেছি হাসপাতালে। আমাদের ওই তিনটে নাগাদ দেখতে দিয়েছিল।'
আর জি কর-কাণ্ডের পরও কখনও ঘটনাস্থল অর্থাৎ সেমিনার হলে ভিড়ের ভাইরাল ছবি। কখনও সেমিনার হলের উল্টোদিকের ঘরের দেওয়াল ভাঙার ছবি ঘিরে। বারবার প্রশ্ন উঠেছিল, এতে কি তথ্য়প্রমাণ নষ্ট হবে না? ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট এর সদস্য অনিকেত মাহাতো বলেছিলেন, তথ্যপ্রমাণ লোপাট হয়েছে। তদন্তকে বাধাপ্রাপ্ত করার চেষ্টা হয়েছে। প্রমাণ নষ্ট হয়েছে। আর জি কর-কাণ্ডের পর বেনজির প্রতিবাদ দেখেছিল পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু, দেড় বছরের মাথায় দুর্গাপুরে এক গণধর্ষণকাণ্ডে ফের উঠছে সেরকমই অভিযোগ, সেরকমই প্রশ্ন। তাহলে বদলাল কী?























