Kasba Incident: কসবা ল' কলেজে ধর্ষণ করেছিল মনোজিৎ মিশ্রই, DNA রিপোর্টে মিলেছে প্রমাণ, চার্জশিটে দাবি পুলিশের
Kasba Molestation Case : কসবাকাণ্ডের চার্জশিটে কী দাবি পুলিশের ?

কলকাতা: কসবা ল' কলেজে ধর্ষণ করেছিল মনোজিৎ মিশ্রই, DNA রিপোর্টে মিলেছে প্রমাণ । কসবাকাণ্ডের চার্জশিটে দাবি পুলিশের ।'নির্যাতিতা অসুস্থ জেনেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। মাথায় আঘাত থাকলেও নির্যাতিতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। প্রমাণ লোপাট করতে ইনহেলারের বাক্স সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। হকি স্টিক দিয়ে নির্যাতিতাকে মারার চেষ্টা হয়েছিল। ঘটনার একাধিক ভিডিও করা হয়েছিল। পরে কয়েকটি ভিডিও ডিলিট করা হয়েছিল। মনোজিতের লম্বা হাত, তাই এতো প্রভাব', কসবাকাণ্ডের চার্জশিটে দাবি পুলিশের।
আরও পড়ুন, মহালয়ার সকালে কলকাতায় চলল গুলি !
কসবা ল'কলেজে ছাত্রীর উপর নারকীয় নির্যাতনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে গোটা রাজ্য। গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা ও তৃণমূল কর্মী এবং এই কলেজেরই অস্থায়ী কর্মী মনোজিৎ মিশ্র ও তাঁর দুই সঙ্গীর বিরুদ্ধে। এবার চার্জশিটে পুলিশ দাবি করল নির্যাতিতার পোশাক থেকে পাওয়া সিমেন এবং DNA স্যাম্পল মিলে গেছে মনোজিৎ মিশ্রর সঙ্গে।এমনকী, মনোজিৎ মিশ্রের শরীরে আঁচরের দাগ ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি থেকেই হয়েছে, বলে দাবি করা হয়েছে চার্জশিটে।
সম্প্রতি আলিপুর আদালতে পুলিশের তরফে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তাতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মনোজিৎ, জেব আহমেদ,প্রমিত মুখোপাধ্য়ায়, এবং নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী মুখোপাধ্যায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল। ২৫ জুন, ঘটনার দিন সন্ধে সাড়ে ৭টার পর অভিযোগকারিণী এবং অভিযুক্ত ২ জনেই কলেজে ছিলেন। নিরাপত্তারক্ষী মূল গেটে তালা-চাবি দিয়ে দিয়েছিলেন। CCTV ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতিতাকে যখন মনোজিৎ মিশ্র ইউনিয়ন রুমের ভিতরে আটকে রেখেছিলেন, তখন অন্য দুই অভিযুক্ত প্রমিত মুখোপাধ্য়ায় ও জেব আহমেদ সেখান থেকে বেরিয়ে যান এবং এক্সহস্ট হোল দিয়ে ভিতরে উঁকি দেন।
কিন্তু যখন ইউনিয়ন রুমে এই ঘটনা ঘটছে, তখন কোথায় ছিলেন কলেজের নিরাপত্তারক্ষী? চার্জশিটে পুলিশের দাবি অনুযায়ী, নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইউনিয়ন রুমের দিকে যেতে দেখা গেছে। আর ওই সময় গার্ড রুম ব্যবহার করেছেন অভিযুক্তরা। পুলিশকে দেওয়া অভিযোগপত্রে নির্যাতিতা অভিযোগ করেছিলেন, কলেজ থেকে পালাতে গেলেও মেন গেট বন্ধ থাকায় তিনি সেখান থেকে বেরোতে পারেননি। পুলিশের চার্জশিটেও বলা হয়েছে, ফুটেজে দেখা গেছে নির্যাতিতা পালানোর চেষ্টা করেও গেট বন্ধ থাকায় পারেননি।
রাত ৯টা ১০ নাগাদ মনোজিৎ, জেব ও প্রমিত জোর করে গার্ডরুমের দিকে নিয়ে যায়। কসবা 'ল কলেজে মনোজিতের প্রভাব-প্রতিপত্তির কথা প্রথম থেকেই উঠে এসেছে। এমনকী গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর, ৩ মাস কাটতে চললেও এখনও কসবা ল কলেজের দেওয়ালে জ্বলজ্বল করছে মনোজিতের নাম!এবার পুলিশের চার্জশিটেও মূল অভিযুক্তের প্রভাব-প্রতিপত্তির কথা উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র একজন অস্থায়ী কর্মী হওয়া সত্ত্বেও কলেজে প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল মনোজিতের। কর্মচারী ও পড়ুয়াদের মারধর, হুমকি দিত মনোজিৎ। এই চার্জশিটই সামনে আসার পর উঠে এল এমন একের পর এক তথ্য।






















