Anandapur Fire: "একটা গোডাউনের মধ্যে অত লোক থাকবে কেন ?" আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে প্রশ্ন দমকলমন্ত্রীর
Sujit On Kolkata Anandapur Fire: আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! নাজিরাবাদে ২ টি গুদামে ভয়াবহ আগুনে বহু মৃত্যু

কলকাতা : আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! নাজিরাবাদে ২ টি গুদামে ভয়াবহ আগুন। ডেকরেটার্সের গুদাম থেকে আগুন ছড়ায় খাবারের গুদামে। পুড়ে, ঝলসে মৃত্য় হল, বেশ কয়েকজন কর্মীর। এখনও খোঁজ মেলেনি অনেকের। নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয়দের দাবি, গোডাউনের দরজা ছিল তালাবন্ধ। জেসিবি দিয়ে লোহার কাঠামো সরিয়ে, শুরু হয়েছে খোঁজ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বড় প্রশ্ন তুললেন এবার দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস।
আরও পড়ুন, পাঁশকুড়ার শিক্ষিকার হোটেলে রহস্যমৃত্যু ! পুলিশ দেখতেই কেন "কীটনাশক" খেলেন শিক্ষিকার বন্ধু ?
এদিন দমকল মন্ত্রী বলেন, 'অনেক বড় জায়গা জুড়ে দুই খানা গোডাউন ছিল। আমরা সকাল থেকে এটা ফলো করছি। ফায়ারের এনকোয়ারি হয়। ফায়ারের রিপোর্ট হয়, কিন্তু মানুষেরও কিছু অসতর্কতা থাকে। এতবড় শহরের মধ্যে অনেকে অনেক কিছু ঘটনা ঘটায়। অনেকে নিজেরা বুঝতে পারে না, অনেকে লাইফটার থেকে ব্যবসাটাকে মনে করে বড়! আমরা এগুলি খতিয়ে দেখব সব। কিন্তু ওখানে অত লোক থাকবে কেন রাত্রিবেলায় ? একটা গোডাউনের মধ্যে অতলোক থাকবে কেন ? এগুলি এনকোয়ারি হচ্ছে।'
কয়েকটা গরীব মানুষ কাজের ফাঁকে একটু বিশ্রাম নিতে গিয়ে রাতে আগুনে ঝলসে মরে গেলেন!পরিবারগুলো ভেসে গেলে!ঘটনাস্থলে গেলেন না দমকলমন্ত্রী!এই নিয়ে এখন জোর বিতর্ক! গোডাউনের কর্মী বলেন, দমকলকে আমি দোষারোপ দিতে পারি। ওঁরা যদি একটু তদন্ত করত, তাহলে এতবড় দুর্ঘটনা হত না। সূত্রের খবর, দুপুর থেকে লেকটাউনেই ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। ঘটনাস্থল থেকে যে এলাকার দূরত্ব মেরেকেটে ৮ কিলোমিটার। তবু, সারাদিনে ঘটনাস্থলে দেখা গেল না তাঁকে। বিরোধীরা ঘটনাস্থলে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, দাপুটে মন্ত্রী দাপটের সঙ্গেই জবাব দিলেন!এই নাজিরাবাদ এলাকা সোনারপুর উত্তর বিধানসভা ও যাদবপুর লোকসভার মধ্য়ে পড়ে।
আগুনলাগার প্রায় ন'ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে যান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।সঙ্গে ছিলেন সোনারপুর উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক ফিরদৌসি বেগম ও তাঁর স্বামী রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল নজরুল আলি মণ্ডল। কিন্তু দমকলমন্ত্রী কোথায়? প্রশ্ন করতেই নিজের মতো ব্য়াখ্য়া দিলেন তিনি!বিদ্যুৎমন্ত্রী ও তৃণমূল বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস বলেন, এখন দমকল ও পুলিশ যে তৎপরতায় কাজ করছে কেউ এলে তো কাজটা বন্ধ হয়। আগুন লাগার ১৩ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, পরিবারের লোক, তারা স্বজনহারা এই মুহূর্তে কাজেই তারা যা বলবে সেটা আমরা মাথা পেতে নেব। কারণ তাদের ক্ষতি হচ্ছে সবথেকে বেশি।























