BJP News: বেহালায় বিজেপির কোন্দল, মাথা ফাটল প্রাক্তন মণ্ডল সম্পাদকের
Behala News: প্রতিবাদ করলে বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সম্পাদককে মারধরের অভিযোগ উঠল। যদিও এই বিষয়ে বিজেপি মণ্ডল সভাপতির প্রতিক্রিয়া মেলেনি কোনও।

কলকাতা: বেহালায় বিজেপির কোন্দল, মাথা ফাটল প্রাক্তন মণ্ডল সম্পাদকের। ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির মণ্ডল সভাপতির অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। প্রোমোটারের কাজে বাধার অভিযোগ বিজেপির মণ্ডল সভাপতির অনুগামীদের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করলে বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সম্পাদককে মারধরের অভিযোগ উঠল। যদিও এই বিষয়ে বিজেপি মণ্ডল সভাপতির প্রতিক্রিয়া মেলেনি কোনও।
বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি এই ইস্যুতে জানিয়েছেন, 'আমারই বুথের সামনে একটি প্রোজেক্ট হচ্ছে নতুন। আমাদের বুথ সভাপতির বাড়ির উল্টোদিকে। আজ মুখ্যমন্ত্রীর র্যালির পর আমার বাড়ির দিকে ফিরে এসেছিলাম। তখন হঠাৎ আমার কাছে ফোন আসে যে একটি গাড়ির মধ্য়ে বসে পাড়ার মধ্যে নেশার কারবার চলছিল। গাঁজার খোল ও ট্যাবলেট এই সব নিয়ে নেশা করা হচ্ছিল। সবাই প্রতিবাদ করে যে এটা তো নেশা করার জায়গা নয়। সেই সময় আমি থানায় ফোন করি। থানার ফোর্স আসে। সেই সময় প্রোমোটারও আসে। সে এসে গলা উঁচু করে বলে যে কে বুথ সভাপতি, মণ্ডল সভাপতি চিনি না। আমি সব বুঝে নেব। এরপরই আমরাও প্রতিবাদ করি। কারণ আমাদের বুথ সভাপতি এই অবৈধ কাজকে প্রশ্রয় দেয়নি।'
কিছুদিন আগেই শীতলকুচি থেকে এমনই একটি ঘটনার কথা শোনা যাচ্ছিল। সেখানেও বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। কোচবিহারের শীতলকুচির ছোট শালবাড়ির ঘটনা। সেখানে বিজেপি-র দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি, মারামারি শুরু হয়। বিজেপি-র মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী পৌঁছলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দলের কর্মীদের একাংশ। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিসে আসছিলেন না তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান। আজ খবর ছড়ায় যে, তিনি পঞ্চায়েতে আসতে চলেছেন। সেই খবর পেতেই জমায়েত শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের। বিজেপি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ তোলেন, টাকা বা তোলার বিনিময়ে তৃণমূলের প্রধানকে গ্রাম পঞ্চায়েতে ঢুকিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। পবিত্রর নেতৃত্বেই ফেরানো হয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে। সেদিন না কি পুলিশের উপস্থিতিতেই গোটা ঘটনা ঘটে। বিজেপি-র একটি গোষ্ঠী দাবি করে, স্থানীয় কিছু বিজেপি নেতা এবং মণ্ডল সভাপতির নেতৃত্বে ঘটছে গোটাটা। তৃণমূলের কাছ থেকে টাকা খেয়ে, তোলা নিয়ে ফেরানো হচ্ছে তৃণমূলের প্রধানকে। অন্য একটি গোষ্ঠী তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা সরব হয়েছিল সেই ঘটনায়। একটা সময় পর পরিস্থিতি এমন হয় যে ধস্তাধস্তি, মারামারি শুরু হয়ে যায় দুই পক্ষের মধ্যে। বিজেপি-র মণ্ডল সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত পুলিশের গাড়িতে চেপে ওই জায়গা ছাড়তে হয়। শীতলকুচি থানার পুলিশ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।























