Bangladeshi Matrimony Fraud : ম্যাট্রিমনি সাইটেও বাংলাদেশি ফাঁদ! হোটেলে ডেকে কলকাতার যুবকের সর্বস্ব লুঠ, ভয়ঙ্কর ঘটনা
Matrimony Site Fraud: গত ২৭ জুলাই দায়ের হওয়া এক জালিয়াতির মামলার সূত্র ধরে ফের এপারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা এক বাংলাদেশি নাগরিকের সন্ধান পেল পুলিশ।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : ম্য়াট্রিমনি সাইটে এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা। তার ডাকে ডাকে সাড়া দিয়েই এক হোটেলে ওঠা। আর তারপর সর্বস্ব খোয়ানোর অভিযোগ! ভয়ঙ্কর এই ঘটনায় উঠে এল বাংলাদেশি যোগ! বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও ভিনরাজ্যে বাংলাভাষী মানুষের হেনস্থা নিয়ে তরজার মধ্যেই এবার ম্য়াট্রিমনি সাইটে ফাঁদ পেতে ঠকানোর অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। পুলিশি তদন্তে জানা গেল, ওই তরুণীর কাজ-কারবার বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে হাত মিলিয়েই।
গত ২৭ জুলাই দায়ের হওয়া এক জালিয়াতির মামলার সূত্র ধরে ফের এপারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা এক বাংলাদেশি নাগরিকের সন্ধান পেল পুলিশ। চমকে দেওয়া অভিযোগের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্যের সন্ধান পেল পুলিশ। এ ঘটনা যেন বলিউডি ছবি 'চোরো কা রানি, বমাল কা রাজা'র বাস্তব রূপ। রুদ্ধশ্বাস থ্রিলারকেও হার মানায়!
গত ২৭ জুলাই এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ জানান এক যুবক। অভিযোগ ছিল, ম্যাট্রিমনি সাইট-সূত্রে আলাপ হওয়া ওই তরুণী কফিতে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে দেন তাকে। তারপর, তন্দ্রাচ্ছন্ন করে যুবকের সর্বস্ব লুঠ করে চম্পট দেয় ।
যুবকের অভিযোগ পেয়ে পাত্র সেজে ম্যাট্রিমনি সাইটে ফাঁদ পাতে পুলিশ। ২৭ জুলাই রাতেই এয়ারপোর্ট লাগোয়া হোটেল থেকে অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, ধৃত তরুণী জেরায় জানান, তিনি এক যুবকের কাছে চুরির মালপত্তর বিক্রি করেন। এরপর দমদম ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তরুণীর চুরির পার্টনার ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি, চোরাই মালের রিসিভার ওই যুবক আদতে বাংলাদেশি। লুঠের জিনিস তিনি বাংলাদেশেও পাচার করতেন। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের জড়িত থাকার সম্ভাবনা দেখছেন তদন্তকারীরা।
একদিকে এক প্রতারণা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশি নাগরিক মডেল অভিনেত্রী শান্তা পালের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। এবার জালিয়াতি মামলার সূত্রে এরাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আরও এক বাংলাদেশি নাগরিকের নাগাল পেল পুলিশ। কলকাতায় গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশের মডেল অভিনেত্রী শান্তা পাল সম্পর্কে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তাঁর ভিসা ও পাসপোর্ট, দুটোর মেয়াদই শেষ, অথচ ভারতে ভিসা জোগাড়ের কাজে অন্যদের কাছে রীতিমতো পরামর্শদাতা হয়ে উঠেছিলেন শান্তা।






















