Kolkata News: মানিকতলায় 'চাঁদার জুলুম', প্রতিমা সাজ শিল্পীকে 'বেধড়ক মার', মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ !
Kolkata Maniktala Puja Donation Attacked: মানিকতলায় 'চাঁদার জুলুম', চাঁদা না দেওয়ায় শিল্পীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ

কলকাতা: মানিকতলায় 'চাঁদার জুলুম', 'আক্রান্ত' প্রতিমা সাজ শিল্পী। চাঁদা না দেওয়ায় শিল্পীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। মুরারি পুকুর ৩৬-এর পল্লি ক্লাব সদস্যদের একাংশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ক্লাব সদস্যদের বিরুদ্ধে। বাড়িতে মত্ত অবস্থায় চাঁদা চাইতে আসে ক্লাবের সদস্যরা, অভিযোগ শিল্পীর। ৪ জন ক্লাব সদস্য মারধর করেছে, অভিযোগ শিল্পীর। মানিকতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের, ঘটনাস্থলে পুলিশ।
কালীপুজোর আগে অব্য়াহত চাঁদার জুলুমবাজি। রাস্তা আটকে চলছে চাঁদা আদায়ের। পুলিশের কড়া বার্তার পরেও বদলায়নি ছবিটা। অন্যদিকে, কালীপুজোর আগে ধর্মতলায় নিষিদ্ধ শব্দবাজি সহ একজনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশের গুন্ডাদমন শাখা।কালীপুজোর আগে চাঁদার জুলুমবাজি চলছেই!খাস কলকাতাতেও ধরা পড়ছে সেই ছবি!ব্য়স্ততম টালিগঞ্জ রোডে এভাবেই রাস্তায় বাস, গাড়ি, বাইক আটকে চাঁদা তোলা হচ্ছে। এর আগে বেলেঘাটা থেকে ইএম বাইপাস যাওয়ার পথে ক্যানাল সাউথ রোডেও দেখা যায়, পণ্যবাহী গাড়ি বেরোতেই পাকড়াও করছেন চাঁদা আদায়কারীরা। ক্যামেরা দেখেই দৌড় দেন তাঁরা।
এবার টালিগঞ্জেও দেখা গেল সেই ছবি। এই প্রেক্ষাপটে চাঁদার জুলমবাজি রুখতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার।কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা বলেন, কোথাও যদি জোর করে, চাঁদা নিয়ে কোনও ইস্য়ু যদি আসে, দ্রুত যাতে ব্য়বস্থা নেওয়া হয়। এটা পুজো কমিটি যারা আছে ওদেরও আমরা স্থানীয় স্তরে থানাতে বলেছি, সবার সঙ্গে আবার কথা বলে এটা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে জোর করে কোথাও চাঁদা না নেওয়া হয়।
কলকাতার পাশাপাশি চাঁদার জুলুমবাজি দেখা গেছে জেলাতেও। বীরভূমের সিউড়িতে সেনা জওয়ানকে এইভাবেই রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। কিল, চড়, লাথি, ঘুষি...বাদ যায়নি কিছুই। ৫ মাসের সন্তানকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথেই চলে তাণ্ডব। রেহাই পাননি সেনা জওয়ানের স্ত্রীও!চাঁদার জুলুমবাজির পাশি, কালীপুজোয় দাপট বাড়ে শব্দবাজিরও। এই প্রেক্ষাপটে শনিবার বেআইনি শব্দবাজি রুখতেও অভিযানে নামে কলকাতা পুলিশ।কলকাতা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ শব্দবাজি সহ ধর্মতলা থেকে গ্রেফতার হন একজন।পুলিশ সূত্রে খবর, মহম্মদ দিশান নামে ওই ব্য়ক্তি তিলজলার বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রায় ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি।
নিষিদ্ধ শব্দবাজি রুখতে কড়া ব্য়বস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা বলেন, পুজো কমিটিকে বলা হয়েছে। বাজি বাজারেও সার্কুলেট করা হয়েছে। লোকাল থানা লেবেলেও আমরা এটা দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে শুধু যে লিগাল যে শব্দবাজি আছে সেগুলোই মার্কেটে উঠে। এর বাইরে যদি কিছু থাকবে পুলিশ নিশ্চয় অ্য়াকশন নেবে। শেষ অবধি কালীপুজোয় কি লাগাম পরানো যাবে শব্দদানবের তাণ্ডবে? সেটাই দেখার।






















