Kolkata News: আমহার্স্ট স্ট্রিটে প্রিন্টিং প্রেসে বিধ্বংসী আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন
Kolkata Fire News: আমহার্স্ট স্ট্রিটে ১০৬/৩ দোতলা প্রিন্টিং প্রেসে আগুন। ভিতরে মজুত দাহ্য পদার্থ। তাই দ্রুত ছড়িয়েছে আগুন।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : আমহার্স্ট স্ট্রিটে প্রিন্টিং প্রেসে বিধ্বংসী আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। সকালে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয়রা। ঘিঞ্জি এলাকায় আগুন লাগায় আতঙ্কে স্থানীয়রা। ভিতরে মজুত ছিল প্রচুর দাহ্য পদার্থ। তাই দ্রুত ছড়িয়েছে আগুন। এই প্রিন্টিং প্রেসের সামনে রয়েছে সারিবদ্ধ দোকান। পাশে রয়েছে আবাসান। দোকানগুলি অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আবাসনে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।
আমহার্স্ট স্ট্রিটে ১০৬/৩ দোতলা প্রিন্টিং প্রেসে আগুন লাগে বৃহস্পতিবার সকালে। প্রাথমিক ভাবে গ্যাস মাস্ক পরে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। কিন্তু ভিতরে প্রচুর ধোঁয়া থাকায় অনেকেরই শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় দমকল বাহিনীকে। ল্যাডার নিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। প্রিন্টিং প্রেসে আগুন লাগার জেরে আশপাশের বেশ কিছু দোকান ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনের সাহায্যে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সকালে যে পরিমাণ ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল, তার পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। তবে কোথাও কোনও পকেট ফায়ারের সম্ভাবনা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছন গিয়েছে। মানুষ নিরাপদে রয়েছেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে দমকল বাহিনীর তরফে। মোবিলের খালি পাত্র মজুত ছিল প্রিন্টিং প্রেসে। তার ফলেই এত ধোঁয়া হয়েছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছিল না। দ্রুত আগুন ছড়িয়েও পড়ে।
আজ সকালে আমহার্স্ট স্ট্রিটের এই দোতলা প্রিন্টিং প্রেস থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয়রাই। তাঁরাই খবর দেন দমকল বাহিনীকে। কেন এই প্রিন্টিং প্রেসে আগুন লাগল, বিল্ডিংয়ের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিক ছিল কিনা, এই ঘটনার পিছনে কী কী কারণ থাকতে পারে তার সবটাই খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। সকালের দিকে দমবন্ধ করা পরিস্থিতি ছিল এলাকায়। ধোঁয়ার পরিমাণ এত বেশি ছিল যে গ্যাস মাস্ক পরেও শুরুতে ভিতরে ঢুকতে পারছিলেন না দমকল কর্মীরা। ল্যাডার নিয়ে, জল দিয়ে আগুন নেভাতে গিয়ে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় তাঁদের। সাকশন মেশিন দিয়ে বের করা হয় ধোঁয়া। তবে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মূলত প্রিন্টিং প্রেসে মজুত থাকা খালি মোবিলের পাত্রের কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল এবং প্রচুর ধোঁয়া তৈরি হয়েছিল এলাকায়।






















