Kolkata News: জোকা ESI-র বয়েজ হস্টেলের পিছনে কী ওটা ? উঁকি ক্যান্টিন কর্মীদের, গুলিয়ে উঠল গা, ব্যাগে মাংসপিণ্ড !
Joka ESI Hospital Mysterious Bag: জোকা ESI হাসপাতাল চত্বরে মিলল ব্যাগ ভর্তি মাংসপিণ্ড ! ঘনীভূত রহস্য

কলকাতা: কলকাতা বুকে বাংলাদেশের সংসদের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের কথা এখনও কেউ ভোলেনি। এখনও নৃশংসতম ঘটনায় উদাহরণ টানা হয় দিল্লির ঘটনাকেও। খুনের পর টুকরো টুকরো করে ব্যাগের ভরার বিরল ঘটনা শিহরণ জাগায় বই কি ! আর এবার জোকার একটি ঘটনা ছড়াল চাঞ্চল্য। জোকায় বয়েজ হস্টেলের পিছনে ব্যাগে মিলল মাংসপিণ্ড !
অভিযোগ, জোকা ESI-র বয়েজ হস্টেলের পিছনে ব্যাগে মাংসপিণ্ড। ব্যাগে মাংসপিণ্ড মেলায় জোকা ESI-তে চাঞ্চল্য। সকালবেলা ক্যান্টিন কর্মীরা এসে পড়ে থাকা ব্যাগে মাংসপিণ্ড দেখেন। পুলিশ এসে মাংসপিণ্ড বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গিয়েছে। মানুষের নয়, মাংসপিণ্ড অন্য কোনও প্রাণীর, অনুমান পুলিশের। মাংসপিণ্ড কোন প্রাণীর, জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হবে।
বাইশ সালে আরও একটি নৃশংস ঘটনা সামনে এসেছিল। বারুইপুরের প্রাক্তন নৌসেনাকর্মী খুনের ঘটনা এখনও মানুষ ভোলেনি! দেহ টুকরো টুকরো করে ২দিন ধরে ফেলা হয়েছিল পুকুর, জঙ্গলে। স্ত্রী-ছেলের হাতেই বারুইপুরে প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী খুন হয়েছিলেন। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর মা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
বিষ্ণপুরের সারদা গার্ডেন এলাকার একটি জলার পাড়ের মাটির ভেতর থেকে দেহের টুকরোগুলি উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরিকল্পনা করে এই খুন বলে জানিয়েছিল পুলিশ। এই খুনে আলিম ছাড়া আর কেউ জড়িত আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বছর পনেরো আগে আলিমের সঙ্গে মমতাজের বিয়ে হয়েছিল। আলিম মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রি। বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ি বিষ্ণুপুরের ছিটবাগি এলাকায় থাকত দম্পতি। মমতাজ সামালি এলাকায় একটি লজেন্স কারখানায় কাজ করতেন।
সকালে কাজে যাওয়ার জন্য স্বামীর সঙ্গে বেরিয়েছিলেন মমতাজ। তারপর থেকে আর ফেরেননি। আলিম যথারীতি রাতে শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসে। এলাকার মানুষের সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে জানায় বিষয়টি। এরপর আলিমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল। একসময় জেরার মুখে খুনের কথা স্বীকার করে নেয় আলিম। এরপরেই আলিমকে সঙ্গে নিয়ে মাটি খুঁড়ে দেহের টুকরোগুলি উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
আরও পড়ুন, 'কলকাতা পুলিশের কাছ থেকে এটা অপ্রত্যাশিত ! এটা তদন্ত হচ্ছে?'
এমনই এক নৃশংস ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। যা জানতে পেরে শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রথমে খুন। তারপর দেহকে ৩৫ টুকরো করা। তারপরও পরিচয় যাতে বোঝা না যায়, সেটা নিশ্চিত করতে প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারের (Shraddha Walkar) মুখ আগুনে পুড়িয়েছিল আফতাব আমিন পুনাওয়ালা (Aftab Ameen Poonawala) ।ফ্রিজ কিনে এনে প্রেমিকার খণ্ড-বিখণ্ড দেহ তাতে ঢুকিয়ে রেখে তারপর রোজ রাতে চলত সেগুলো জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার কাজ। দিল্লি খুন-কাণ্ডে নৃশংসা দেখে শিউরে উঠছিল গোটা দেশ। দিল্লি পুলিশ সূত্রে এর মাঝেই উঠে এসেছিল নতুন তথ্য। প্রেমিকার পরিচয় যাতে বোঝা না যায়, সেটা নিশ্চিত করতে খুনের পর দেহ কুচি-কুচি কেটে ফেলে শ্রদ্ধার মুখ পুড়িয়ে দিয়েছিল আফতাব।






















