Kolkata News: 'যদি সময়মতো না আসেন, কীভাবে তুলে আনতে হয় জানি', ফিরহাদ-মদনকে তীব্র ভর্ৎসনা বিচারকের
Court on Madan Firhad: হাজিরায় দেরি, ফিরহাদ, মদনকে তীব্র ভর্ৎসনা পিএমএলএ কোর্টের বিচারকের। কী বললেন বিচারক ?

কলকাতা: হাজিরায় দেরি, ফিরহাদ, মদনকে (Firhad Hakim and Madan Mitra) তীব্র ভর্ৎসনা পিএমএলএ কোর্টের বিচারকের। ' যদি সময়মতো না আসেন তাহলে কীভাবে আপনাদের তুলে আনতে হয় জানি', মন্তব্য পিএমএলএ কোর্টের বিচারকের (Court)।
'যদি সময়মতো না আসেন, কীভাবে তুলে আনতে হয় জানি'
মঙ্গলবার নারদকাণ্ডের শুনানি চলাচালীন আদালতে হাজিরা দিতে দেরি হতেই এদিন রাজ্যের শাসকদলের দুই হেভিওয়েটকে তীব্র ভর্ৎসনা পড়তে হল। পিএমএলএ কোর্টের বিচারক বলেন, 'এত ভিআইপি হয়ে গিয়েছেন যে বিচারককে অপেক্ষা করতে হবে ?' প্রসঙ্গত, গত বছরই এই মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে সিবিআই। পরে তাঁরা জামিন পান।
নারদ স্টিং অপারেশন
গতবছরই নভেম্বরে মৃত্যু হয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। নারদ স্টিং অপারেশনে তৃণমূলের বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রীকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিষয়টি সামনে আসে। ওই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ। তবে ২০১৪ সালে ম্যাথিউ স্যামুয়েল ছদ্মবেশে ওই স্টিং অপারেশন করেন বলে দাবি সামনে আসে। এর পর ঘটনাক্রম নানা ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত ভার সিবিআই-এর হাতে ওঠে।
'বেছে বেছে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদেরই হেনস্থা করা হচ্ছে'
তবে সেই সময় বিস্তর জলঘোলা হলেও, দীর্ঘ দিন তদন্তের অগ্রগতি হয়নি। ভিডিও-য় টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-তে যোগ দেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি-তে যাওয়াতেই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। উল্টে সিবিআই-কে দিয়ে বেছে বেছে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদেরই হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের।
আরও পড়ুন, ভবানীপুর গার্লসে মমতা, মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর
নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে গরু ও কয়লা পাচারকাণ্ড। একের পর এক কেলেঙ্কারির ধাক্কায় তোলপাড় রাজ্যজুড়ে। একাধিক মামলায় চাপের মুখে শাসকদলও। তার উপরে এখনও আবার নতুন করে শুরু প্রকাশ্যে এসেছে কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। আবাস সহ ১০০ দিনের জলের প্রকল্প সবগুলি নিয়েই এই মুহূর্তে চাপের মুখে একাধিক হেভিওয়েট নেতা। তার উপর রয়েছে বগটুইকাণ্ড, ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা। প্রতিটাতেই প্রায় আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এই মুহূর্তে চলছে সিবিআই, ইডি-র সাঁড়াশি তদন্ত। এরই মধ্যে ফের নারদ মামলাতেও সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেল। তাতে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও।






















