Kolkata Shootout : বাড়ি থেকে ডেকে গুলিতে ঝাঁঝরা ১৯ বছরের যুবক! কলকাতায় ভয়াবহ ঘটনা, এখনও অধরা 'কুখ্যাত দুষ্কৃতী'
Kolkata Shootout : এলাকার বাসিন্দাদের পুলিশ সব জেনেও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ

সৌমিত্র রায়, আবির দত্ত, কলকাতা: ভোটের আগে কলকাতা শহরে চলল গুলি। সোমবার রাতে বেনিয়াপুকুর থানার তিলজলা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন এক যুবক। একেবারে জনবহুল এলাকায় ডেকে নিয়ে এসে গুলি চালানো হয় অভিযোগ। মাত্র ১৯ বছরের যুবককে সামনে থেকে গুলি চালিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয়। এই ঘটনাক কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকার মানুষের একাংশের অভিযোগ, আক্রমণকারী যুবক ও তার গ্যাংয়ের কুকীর্তির কথা কারও এজানা নয়। সলমন এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী, দাবি এলাকার বাসিন্দাদের পুলিশ সব জেনেও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ
পুলিশ সূত্রের খবর, গুলিবিদ্ধ আহতের নাম মহম্মদ নিয়াজ । স্থানীয়সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধেয় একটি দোকানের সামনে মহম্মদ নিয়াজ ও মহম্মদ সলমনের মধ্যে বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় নিয়াজকে হুমকি দেয় সলমন। এলাকাবাসী ও পরিবারের মধ্যস্থতায় তখনকার মতো ঝামেলা মিটে যায়। অভিযোগ, এরপর রাত ১ টা নাগাদ সঙ্গীদের নিয়ে এসে নিয়াজকে বাড়ি বের করে গুলি চালায় মহম্মদ সলমন ও তাঁর সঙ্গীরা। এলোপাথাড়ি ৫-৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। নিয়াজের পায়ে ৩টি গুলি লাগে। স্থানীয়দের দাবি, গুলি চালিয়ে স্কুটিতে করে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। আহত মহম্মদ নিয়াজ SSKM হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এলাকার মানুষের অভিযোগ এই সলমন ও তার গ্যাং নানা রকম কুকীর্তি করে বেড়ায়। মোবাইল ছিনতাই গ্যাংয়ের সঙ্গেও তার যোগাযোগ। আর সব জেনেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। ঘটনাস্থলের উল্টোদিকেই সরকারি আবাসন। ৭০০ মিটার দূরত্বে পার্ক সার্কাস স্টেশন। ৩০০ মিটার দূরত্বে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ৫০০ মিটার দূরত্বে ডন বসকো স্কুলের গেট। এমনকী ১ কিলোমিটারের মধ্যে বেনিয়াপুকুর থানা। এই ঘটনা সামনে আসতেই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সেই সঙ্গে ভোটের আগে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যের এই ঘটনা সামনে আসতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কলকাতায় হাল আমলে এরকম গুন্ডাগিরির ঘটনা ঘটেছে একাধিক। চলতি মাসে দক্ষিণ কলকাতার কাঁকুলিয়া রোডে গুলি-বোমা নিয়ে অশান্তি ছড়ানোর ঘটনায় এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু। আর কয়েক মাস আগে আনন্দপুরের গুলশন কলোনিতে অস্ত্র হাতে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে। এমন একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে, অথচ সঙ্গে সঙ্গে দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ছে না কেন, প্রশ্ন তুলছে মানুষ।























