Adhir Choudhury: 'SIR মানুষকে তাড়া করছে...', ভোটে ব্যাপক সাড়া রাজ্যে, 'আসল ফ্যাক্টর' কী? অধীর বলছেন...
West Bengal Assembly Election 2026: পশ্চিমবঙ্গে শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল সন্ধে ৭.৪৫ মিনিট পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১.৬৬ শতাংশ।

West Bengal Assembly Election 2026: ২ দফার বিধানসভা নির্বাচনে সাড়া ফেলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। ব্যাপক হারে ভোট পড়েছে ২ দফাতেই। খুশি নির্বাচন কমিশনও। বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দিক, এটা ছিল কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। অনেকাংশেই তা পূরণ হয়ছে বলে জানান দিচ্ছে পরিসংখ্যান। কিন্তু হঠাৎ এবার কোন ফ্যাক্টর কাজ করল যে ভোট দিতে বুথমুখী হলেন এত মানুষ? বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলছেন, 'মানুষ যেভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, এটা সারা বাংলার ঘটনা। প্রথম দফাতেও প্রচুর পরিমাণে মানুষ ভোট দিয়েছেন, ৯৩ শতাংশ। এবারেও ৯০ হয়তো পার করবে। মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, ভোট দিতে যাচ্ছে। মানুষ মনে করছে ভোট দেওয়া যায়, তাই যাচ্ছে। এর পাশাপাশি এসআইআর মানুষকে তাড়া করছে। মানুষ মনে করছে ভোট না দিলে আগামী দিনে নাগরিকত্ব সংকটময়।'
ভোটের পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ! কী জানালেন সিআরপিএফ- এর ডিজি?
পশ্চিমবঙ্গে শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এবছর ২ দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল সন্ধে ৭.৪৫ মিনিট পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১.৬৬ শতাংশ। প্রথম দফায় মোট ভোট পড়েছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। দু'দফায় মোট ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও বাম্পার ভোট পড়ল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফায় এ রাজ্যে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১.৬৬ শতাংশ। আর ২ দফা মিলিয়ে সার্বিক ভোটদানের হার ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ভোটিংয়ে প্রথম দফাকেও টেক্কা দিল দ্বিতীয় দফা।
'বাড়ি ঢুকলে খুন হয়ে যাবে', ভোটারকে হুমকি ! ফলতায় 'অ্যাকশনে' IPS অজয় পাল শর্মা, হাজির সাঁজোয়া গাড়ি
ভোটের পরেও রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। CRPF-এর ডিজি জিপি সিং জানিয়েছেন, ভোটের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)। এর মধ্যে থাকছে ২০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ১৫০ কোম্পানি বিএসএফ, ৫০ কোম্পানি সিআইএসএফ, ৫০ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ৫০ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল। এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ২ দফায়। ২৩ এপিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। ২৯ এপ্রিল দ্বতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। দু'দফাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল সাংঘাতিক তৎপর। নিরাপদে সুষ্ঠু ভোট করানোই লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের। আর তাই ভোটের অনেক আগে থেকেই রাজ্যে এসে গিয়েছিল প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আবহে রাজ্যে মোতায়েন ছিল আড়াই লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী।




















