Cooking Gas Cylinder: LPG-র সাপ্লাই নেই, গ্যাসের পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় ব্যহত কলকাতা পুরসভার মা ক্যান্টিনের রান্না!
LPG Gas Booking: যুদ্ধ হচ্ছে কোথায়! আর পরিস্থিতি ঘোরাল হচ্ছে কোথায়!

- গ্যাস সরবরাহে টান, কলকাতা পুরসভার মা ক্যান্টিনে রান্না ব্যাহত।
- সাধারণ মানুষ, হাসপাতাল, মিড ডে মিলও গ্যাস সংকটে জর্জরিত।
- মেয়র ফিরহাদ হাকিম যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকারের মজুত না রাখা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
- সরকার জানিয়েছে, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
কলকাতা: দিন যত এগোচ্ছে ততই ভয়ঙ্কর হচ্ছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। এই আবহেই গ্য়াসের জোগানে টান পড়েছে। এই আবহে রান্নার গ্য়াসের পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় ব্য়াহত কলকাতা পুরসভার মা ক্য়ান্টিনের রান্না। অন্যদিকে এই পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।
যুদ্ধ হচ্ছে কোথায়! আর পরিস্থিতি ঘোরাল হচ্ছে কোথায়! নাভিশ্বাস উঠছে পশ্চিমবঙ্গবাসীর! গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসে ভিড় করছেন অসংখ্য় সাধারণ মানুষ। গৃহস্থের হেঁশেল থেকে হাসপাতাল এমনকী মিড ডে মিলের রান্নাও ব্য়াহত হচ্ছে। সমস্য়ায় কলকাতা পুরসভা পরিচালিত মা ক্য়ান্টিনও। যেখানে প্রতিদিন পাঁচ টাকায় ডিম ভাত পান সাধারণ মানুষ। বুধবার কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশদ্রোণী G.S.F. স্কুলে মা ক্য়ান্টিন কিচেনে সমস্য়ার ছবি সামনে এসেছে! রান্নার গ্য়াসের অভাবে পর্যাপ্ত রান্না হয়নি।
এখানে মা ক্য়ান্টিনের কিচেন চালায় নিবেদিতা এরিয়া লেবেল ফেডারেশন। মূলত কলকাতা পুরসভার ১০ নম্বর বরো ১০ এর পুরোটা বরো ১১টা পাঁচটি ওয়ার্ডের খাবার যায়। নিউ আলিপুর থেকে শুরু করে, আজ গ্য়াস ছিল না। সেই কারণে খুব কম রান্না হয়েছে। নিবেদিতা এরিয়া লেবেল ফেডারেশনের পরিচালক সন্ধ্য়া শীল বলছেন, 'প্রতিদিন ৪ টা সিলিন্ডার লাগে। আমি সবাইকে বলেছি, একটা সিলিন্ডার নিয়ে চালানো সম্ভব বুঝতে পারছি না।'
সমস্য়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূল বিধায়ক ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলছেন, 'যুদ্ধের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার গ্য়াস মজুত করেনি, সেই কারণে সমস্য়া বেড়েছে।' বুধবার কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনেও উঠেছে গ্য়াসের আকাল পরিস্থিতির কথা। কলকাতা পুরসভার ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তপন দাশগুপ্ত বলছেন, 'আজকে আমি যে প্রস্তাবটা এনেছি, সেটি হচ্ছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে কেন্দ্র করে। শহরবাসীকে যদি পাইপ লাইনের মাধ্য়মে গ্য়াসের যোগান দেওয়া হয়, তাহলে ভাল হয়'।
ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, 'বিষয়টা গ্য়াস সরবরাহকারী সংস্থাগুলো দেখবে'। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, এখন নজর সেদিকেই! অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রয়োজন ছাড়া শুধুমাত্র ভয়ে-ভয়ে আগেভাগে বুকিং করারও দরকার নেই। সরকারের মতে, বর্তমানে দেশে LPG সিলিন্ডার বুকিং করার প্রায় ২.৫ দিনের মধ্যেই ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে।























